দুর্দান্ত বোলিংয়ে শরিফুলের ১৭ ধাপ উন্নতি, পিছিয়েছেন লিটন-হাসান

ম্যাকাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশ মাত্র দুই দিনেই হারলেও বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন শরিফুল ইসলাম। টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবার পাঁচ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ইনিংসে মোট সাত উইকেট শিকার করেছেন বাঁহাতি এই পেসার। বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে এটিই সেরা বোলিং ফিগার।

দারুণ এই পারফরম্যান্সের পুরস্কার পেয়েছেন শরিফুল। সর্বশেষ আইসিসি টেস্ট বোলার র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৭ ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ারসেরা ৫৭ নম্বরে উঠে এসেছেন তিনি।

প্রথম টেস্টে ৯ উইকেট নিয়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় উন্নতি করেছিলেন হাসান মাহমুদ। তবে দ্বিতীয় টেস্টে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে না পারায় ৯ ধাপ পিছিয়ে গেছেন তিনি। ৪৫৪ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে বর্তমানে ৪৭ নম্বরে আছেন এই ডানহাতি পেসার। দুই ধাপ পিছিয়ে ৫১ নম্বরে নেমে গেছেন তাসকিন আহমেদ।

চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়া সফরে খেলতে না পারা নাহিদ রানাও দুই ধাপ পিছিয়ে ৬২ নম্বরে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশের স্পিনারদের মধ্যে শীর্ষে থাকা তাইজুল ইসলামও দুই ধাপ পিছিয়ে ১৩ নম্বরে নেমেছেন। তবে দেশের বোলারদের মধ্যে তিনিই এখনো সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছেন।

অন্যদিকে মেহেদী হাসান মিরাজ বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে ২৫ নম্বরে উঠেছেন।

ব্যাটারদের তালিকায় এক ধাপ উন্নতি হয়েছে মুশফিকুর রহিমের। অভিজ্ঞ এই ব্যাটার এখন ১৭ নম্বরে রয়েছেন। আগের অবস্থান ২০ নম্বরেই আছেন নাজমুল হোসেন শান্ত।

তবে অস্ট্রেলিয়া সফরে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন লিটন দাস। তিন ইনিংসে ব্যাটিং করে তিনবারই শূন্য রানে আউট হয়েছেন তিনি। এর ফলে টেস্ট ব্যাটিং র‌্যাঙ্কিংয়ে ছয় ধাপ পিছিয়ে ৩৪ নম্বরে নেমে গেছেন লিটন।

ম্যাকাই টেস্টে ব্যাট হাতে সুবিধা করতে না পারায় মুমিনুল হকও পাঁচ ধাপ পিছিয়েছেন। বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক এখন ৩৬ নম্বরে রয়েছেন। চার ধাপ পিছিয়ে মেহেদী হাসান মিরাজ নেমেছেন ৬৩ নম্বরে। জাকের আলী অনিকও পাঁচ ধাপ পিছিয়েছেন।

টেস্ট অলরাউন্ডারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে আগের মতোই তৃতীয় অবস্থানে আছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। দুই ধাপ এগিয়ে ৩০ নম্বরে উঠেছেন তাইজুল ইসলাম। আর ১৩ ধাপ এগিয়ে অলরাউন্ডারদের তালিকায় ৭০ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছেন শরিফুল ইসলাম।

ম্যাকাই টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেছিলেন শরিফুল। এরপর বল হাতে সাত উইকেট নিয়ে দলের সেরা পারফরমারদের একজন হন তিনি। সেই পারফরম্যান্সের সুবাদেই বোলিংয়ের পাশাপাশি অলরাউন্ডার র‌্যাঙ্কিংয়েও বড় উন্নতি হয়েছে তার।