দেশের সড়ক মহাসড়ক গুলোকে প্রায় প্রতিদিন কোথাও না কোথাও সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছে সাধারণ যাত্রীরা। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসডকড় রয়েছে তার মধ্যে অনেক জুটিতে।
সড়কের দুপাশে যথার্থত্র পার্কিং ড্রাইভারদের বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো সড়ক দুর্ঘটনার কারণ বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অনেক স্হান ঝুঁকিপূর্ণ। এ মহাসড়কের প্রতিটি স্থানে প্রায় জায়গায় অবৈধ পার্কিং থাকে সব সময় মহাসড়কের দুই পাশে এসব অবৈধ পার্কিংয়ের সুযোগ করে দেয়ায় দূরপাল্লার যানবাহন গুলো চলাচল করতে সমস্যা হয় এতে অনেক সময় দ্রুতগতি এবং ওভারটেকিং করতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে।
এসব সড়ক দুর্ঘটনায় অকালে ঝরে যায় অনেক প্রাণ প্রতিদিন মৃত্যুর মিছিলে যোগ হয় নতুন করে লাশ। মহাসড়কের নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশের দায়িত্ব থাকার কথা থাকলেও তারা সব সময় রুটিন দায়িত্ব পালন করতে ব্যস্ত দেখা যায়। অনেক জায়গায় যেসব অবৈধ পার্কিং রয়েছে সেগুলো থেকে মাসিক হারে চাঁদা তোলার অভিযোগ রয়েছে হাইওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে। মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে যদি পুলিশি ব্যবস্থা কঠোর হতো হয়তো বেঁচে যেত অনেক প্রাণ মহাসড়কে দুর্ঘটনার সংখ্যা ক্রমান্বয়ে কমে আসত।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড উপজেলার কুমিরা এলাকায় গতকাল এক সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় ব্যতীত সারা দেশ। মহাসড়কে বাস থেকে নেমে দাঁড়ানো তাদের মৃত্যুর কাল হলো। একটি লড়ি তাদেরকে চাপা দিয়ে চলে গেছে। মৃত্যুর মিছিলে যোগ হল আরো পাঁচটি তাজা প্রাণ। এর দায়ভার নিশ্চয়ই প্রশাসনকে নিতে হবে কারণ তারা সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ। এলোপাথাড়ি পার্কিং অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো এসব দুর্ঘটনার কারণ। সড়কে পুলিশের চাঁদাবাজি বন্ধ করে সঠিক দায়িত্ব পালন করলে দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমে আসবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।
গত দশ মাসে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রায় ৭০ জনের কাছাকাছি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে। এসব দুর্ঘটনার রোধে সড়কের দুপাশে অবৈধ যে পার্কিং রয়েছে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে পুলিশি ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে বলে যাত্রী সাধারণ মনে করেন।