ভারতের মাথা ব্যথা ও দুশ্চিন্তার বিশেষ কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছ ,বাংলাদেশ কমরেড সাঈদ আহম্মেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বর্তমান সময়ে সুপার পাওয়ার হিসেবে চীনের উত্থান নিয়ে আমেরিকা, জাপান, ভারত সহ ইউরোপীয়ান অনেক রাষ্ট্র বেশ শঙ্কার মধ্যে আছে।

ইসরায়াল ও আমেরিকার সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ থেকে বিশ্ব চীনের প্রযুক্তি ক্ষমতা সম্পর্কে পুরোপুরি অবহিত রয়েছেন।
এমন সময়ে বাংলাদেশের চীন-নীতি বিশ্বের অনেক রাষ্ট্রের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশেষ করে চীনের শত্রু রাষ্ট্র ভারতের মাথা ব্যথা এবং দুশ্চিন্তার বিশেষ কারণ হয়ে উঠেছে,বাংলাদেশ ও চীনের সহায়তায় নীতি।

১৯৭২ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ভারত বাংলাদেশ থেকে এককভাবে সুযোগ সুবিধা ভোগ করার কারণে বাংলাদেশের চীন-নীতি ভারত কোন ভাবেই মেনে নিতে পারবে না, তা বুঝতে কোন রকেট সাইন্সের দরকার হবে না। 

চীন অনেক আগ থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগী হিসেবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করলেও, বাংলাদেশের বিগত শৈরাচার  সরকার হাসিনা শেখ ভারত তোষণ নীতির কারণে তা সম্ভব হয়নি। 

কিন্তু বর্তমান বিএনপি সরকার সবার আগে বাংলাদেশ নীতি গ্রহণ করার কারণে দৃশ্যপট পাল্টে গেছে। 
তাই ভারতের বর্তমান আতঙ্কের নাম বাংলাদেশের সাথে  চীনের সুসম্পর্ক।

তবে ভারত কিন্তু ছোবল দিতে চেষ্টা চালাচ্ছে সে হাতপা গুটিয়ে বসে থাকবে না। 
বাংলাদেশকে কোনঠাসা করতে এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে বিভিন্ন ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। যা ইতিমধ্যে দেখা যাচ্ছে রাম মন্দির নিয়ে কিছু উগ্রবাদী হিন্দুদের উসকানিমূলক বক্তব্য।

ভারত একেরপর এক পরিকল্পনা গ্রহণ করবে। 
এক পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করবে। 
যা বাংলাদেশের জন্য কখনো স্বস্তিদায়ক হবে না।

বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমি মনে করি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সকল বাংলাদেশী নাগরিকদের সজাগ থাকতে হবে। 
যাতে করে ভারত তার পরিকল্পনা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সফল করতে না পারে। 

তবে একথা সত্য যে বাংলাদেশে ভারতপন্থী  যেমন  হিন্দু রয়েছে ঠিক তেমনই মুসলিম সম্প্রদায়ের একটা অংশ কাজ করছে। 
যারা মূলত বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকারের সজাগ থাকতে হবে এবং ভারতপন্থী বাংলাদেশীদের যে কোন ধরণের ষড়যন্ত্র কঠোর হস্তে দমন করতে হবে।
 
বাংলাদেশ সরকার যদি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতীয় ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়,তাহলে আগামীর বাংলাদেশ কোন পথে হাঁটবে তা ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।