পুরান ঢাকার ২৩ নং ওয়ার্ডে মশক নিধন অভিযান

 

আব্দুল্লাহ আল মামুন (প্রধান প্রতিবেদক):

 

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও ম্যালেরিয়াসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধের লক্ষ্যে রাজধানীর লালবাগস্থ ২৩ নং ওয়ার্ড এলাকায় সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ্ব আব্দুল আজিজের নেতৃত্বে গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে একটি মশক নিধন অভিযান পরিচালিত হয়।

 

এ অভিযানের শুরুতে পথসভায় আব্দুল আজিজ এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, “মশক নিধন অভিযান-২০২৬ খ্রি.” এটি শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি আমাদের পরিবার, সমাজ এবং আগামী প্রজম্মকে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ থেকে রক্ষার একটি সম্মিলিত উদ্যোগ। তিনি বলেন, “আমি আপনাদের সকলকে আন্তরিকভাবে আহ্ববান জানাই যে, আপনারা নিজ নিজ বাড়ির আঙ্গিনা, ছাদ ও আশপাশ সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। কোথাও যেন জমে থাকা পানি না থাকে সেদিকে বিশেষ নজর দিন। একটি পরিচ্ছন্ন ও সুস্থ ২৩ নং ওয়ার্ড গড়ে তুলতে নাগরিক সচেতনতা আদেরে সবচেয়ে বড় শক্তি।” তিনি এলাকাবাসীর প্রতি আহ্ববান জানিয়ে বলেন, “আসুন আমরা সবাই মিলে আমাদের বাড়ির আঙ্গিনায় ডাবের খোসা, ফুলের টব ও বিভিন্ন জলাধারে যে সমস্ত পানি জমে থাকে, অন্তত ৩ দিন জমে থাকে এগুলোকে ফেলে দিয়ে আমরা সেগুলো পরিষ্কার রাখি। তাহলে হয়তো আমাদের এই এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে পারবো।” সাবেক এই জনপ্রতিনিধি আরও বলেন, “আমাদের আগামীর মেয়র অর্থাৎ এখনকার প্রশাসক আমাদের মাধ্যমে মশক এবং পরিচ্ছন্ন অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন আমরাও তাঁর নির্দেশ মান্য করে উদ্যোগী হয়ে এই কাজ করে যাচ্ছি। এলাকার এমপি. হামিদুর রহমান হামিদ ভাইও আমাদের সাথে আছেন, উনি আমাদের সাথে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে থাকেন। আমরা আপনাদের সহযোগীতাও কামনা করি।” এ সময় এলাকাবাসীর প্রতি এই পরিচ্ছন্ন অভিযান ও মশক নিধন অভিযান সফল করার আহ্ববান জানান তিনি।

 

পরে আব্দুল আজিজ লেন, ললিত মোহন দাস লেন, এমসি. লেন ও মেডিকেল স্টাফ কোয়ার্টার এলাকাসহ নওয়াবগঞ্জ এলাকার কিছু অংশে মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরবর্তীতে ২৩ নং ওয়ার্ডের আনাচে-কানাচে যত মহল্লা-পাড়া আছে, সব জায়গায় এমনিভাবে অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানান আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ।

 

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বিভিন্ন এলাকায় মশার উপদ্রপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। দিনের তুলনায় সন্ধ্যা ও রাতে মশার আক্রমণ বেশী দেখা যায়। ঘরের ভেতর ও বাইরে সর্বত্র মশার উপস্থিতির কারেণে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। শিশু, বয়স্ক এবং অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশী ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তাই মশা দমনে এ ধরণের অভিযান চলমান রাখার আহ্ববান জানিছেন এলাকাবাসী।