ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, বর্তমান সরকারের পতনের পরই দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র পুনর্গঠনের কাজ শুরু হবে।
সংসদের সংবিধান সদনের সেন্ট্রাল হলে ‘ইন্ডি’ জোটের সাংসদদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে রাহুল গান্ধী বলেন, চলমান সংকট কেবল একজন নির্বাচন কমিশনারকে কেন্দ্র করে নয়, বরং দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর গভীর সংকটের প্রতিফলন। তিনি দাবি করেন, এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য বর্তমান সরকারের অবসান প্রয়োজন।
রাহুলের ভাষ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বিরোধী দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ও চাপের কারণে কেন্দ্রীয় সরকার চাপে রয়েছে এবং তাদের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “জ্ঞানেশ কুমার যাবেন, এই সরকারও যাবে। এরপরই শুরু হবে গণতন্ত্র মেরামতের কাজ।” তিনি এ আন্দোলনকে দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার সংগ্রাম হিসেবে বর্ণনা করেন এবং বিরোধীদের আন্দোলনের গতি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের দুই কমিশনার ভোটার তালিকা-সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে একাধিকবার লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন বলে সংবাদ প্রকাশের পর দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। যদিও নির্বাচন কমিশনের দাবি, ভিন্নমত একটি স্বাভাবিক প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া এবং তাদের সব সিদ্ধান্ত আইনসম্মত।
তবে এ ইস্যুকে সামনে রেখে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলো ধারাবাহিকভাবে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে আসছে, যার সর্বশেষ উদাহরণ রাহুল গান্ধীর এই মন্তব্য।
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস