সরকারকে এক প্রকার বেকায়দায় ফেলতে গার্মেন্টস শিল্পকে অস্থিরতার মধ্যে ফেলে দিয়েছে আওয়ামী সমর্থিত গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা। শ্রমিকদের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে বিরোধী শক্তির উদ্যান গটানোর জন্য এ ধরনের অপচাষ্টায় রয়েছে আওয়ামী গরনার গার্মেন্টস শিল্প মালিকরা। যার খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ শ্রমিক এবং অন্যান্য শিল্প মালিকদের।
সাধারণ গার্মেন্টস ব্যবসায়ী যারা তারা এদের রোশনালে পরে প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে এতে ক্ষতি হচ্ছে রাষ্ট্রের অর্থনীতি। এ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জায়গায় দাঙ্গা-হাঙ্গামায় রূপ নিয়েছে এতে যানবাহন ভাঙচুর করতেছে দুষ্কৃতিকারীরা বিভিন্ন জায়গায় আগুন দিচ্ছে অশুভ শক্তি।
বেতন বাড়ানোর ইস্যু কে কেন্দ্র করে এ আন্দোলনকে মূলত রাজনৈতিক আন্দোলনে পরিণত করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আওয়ামী শক্তিরা। দেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পর থেকে তারা বিভিন্ন উপায়ে মাঠে থাকার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের তৎকালীন উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপঙ মুন্সী চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা গার্মেন্টস ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম সহ বিভিন্ন ব্যক্তির একাধিক নাম উঠে এসেছে গোয়েন্দা তালিকায় তারা মূলত গ্রেপ্তার থাকলেও কারাগারের ভেতরে বসে এ আন্দোলনের পেছনে কল কাটি নাড়ছে বলেও গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে এসেছে।
তারা মূলত একটা বিশৃংখল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে দেশে অরাজকতা চেষ্টা পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। আর্থিক ইন্দনের মাধ্যমে গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের কাজে লাগানোর চেষ্টা করতেছে তারা। সরকার ইতিমধ্যে ন্যূনতম মজুরি বোর্ড ঘোষণা করে বেতন সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিয়েছে এতে গার্মেন্টস শ্রমিকরা আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেও বিরোধী শক্তি এখনো মাঠে রয়ে গেছে তারা বিভিন্নভাবে গার্মেন্টস শ্রমিকদের অর্থ যোগান দিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এক্ষেত্রে সরকারকে আরো কৌশলী হয়ে আওয়ামী সমর্থিত ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে শ্রমিকদের স্বার্থ দেখে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।