ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে নিখোঁজের দুই দিন পর পুকুরের ঝোপ থেকে আজিম (৩০) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো ভাই রফিকুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
সোমবার ২৬ অক্টোবর রাতে উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের লক্ষ্মীমোড়া গ্রামের বড় পুকুর নামক স্থানের ঝোপ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আজিম ওই গ্রামের আলী আজগর মিয়ার ছেলে। আটক রফিকুল ইসলাম একই এলাকার মৃত হাসেম মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৫ টার দিকে নিখোঁজ হন আজিম। নিখোঁজ হওয়ার দিন ভোরে রফিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে তাঁর সর্বশেষ যোগাযোগ হয়েছিল। এরপর থেকে তাঁর আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।
সোমবার রাতে রফিকুল ইসলামের বাড়ির সামনে দিয়ে যাতায়াতের সময় স্থানীয় লোকজন দুর্গন্ধ পান। পরে বাড়ির পাশের বড় পুকুরে খোঁজাখুঁজি শুরু করলে ঝোপের মধ্যে আজিমের মরদেহ দেখতে পান তাঁরা। খবর পেয়ে বিজয়নগর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিখোঁজ হওয়ার পর দুই দিন ধরে আজিমের সন্ধান না মেলায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ ছিল। শেষ পর্যন্ত বাড়ির পাশের পুকুরের ঝোপে তাঁর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত আজিম ও আটক রফিকুল ইসলাম সম্পর্কে চাচাতো ভাই।
বিজয়নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজীব চন্দ্র সরকার জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো ভাই রফিকুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। তিনি প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।