সারাদেশে মাদক পাচারের নিরাপদ সড়ক হলো কক্সবাজার রেল। কক্সবাজার থেকে যেসব ট্রেন আসা-যাওয়া করে সেগুলো করেই একেবারে নিরাপদেই সারাদেশে ছড়িয়ে পড়তেছে মাদক। সড়কে চলাচলরত অন্যান্য যানবাহনে চেক করার ব্যবস্থা থাকলেও রেল লাইনে নেই কোন চেকিং ব্যবস্থা তাই একেবারে নির্বিঘ্নে মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের মাদক ট্রেনে করে বহন করতে পারে। মাদক ব্যবসায়ীরা এই রেললাইনকে ব্যবহার করে সারা দেশে মাদক ছড়িয়ে দিচ্ছে। কক্সবাজারে যারা ভ্রমণ করতে আসে তাদের পছন্দের প্রধান যাতায়াত ব্যবস্থা হল রেললাইন। তাই অনেকেই কক্সবাজার থেকে যাওয়ার সময় মাদক বহন করে নিয়ে যায় বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে। বিশেষ করে লক্ষ লক্ষ ইয়াবা এখন ট্রেনের মধ্য দিয়ে পাচার হচ্ছে সারা দেশে।
নাম প্রকাশ না করার সত্ত্বে কয়েকজন যাত্রী বার্তা বিচিত্রাকে বলেন আগে কক্সবাজারে বাসে এবং অন্যান্য যানবাহনে আসা-যাওয়ার সময় কয়েক দফা চেকিংয়ের কবলে পড়তো এতে বিভিন্ন প্রকারের মাদকসহ যাত্রীরা ডিবি পুলিশ এবং থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হতে দেখা গেছে কিন্তু কক্সবাজার রেল লাইন চালু হওয়ার পর থেকে মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের পাচারের ধরন বদলে এখন ট্রেন কে ব্যবহার করে আসছে শুরু থেকেই এখন অন্যান্য যানবাহনের মাধ্যমে মাদক পাচার হওয়া অনেক আংশিক কমে গেছে কারণ খুবই নিরাপদে ট্রেনের মাধ্যমে মাদক পাচার করে যাচ্ছে মাদক ব্যবসায়ীরা। এসব মাদক পাচারে পুলিশের কনস্টেবল থেকে শুরু করে উর্দ্বতন কর্মকর্তারা জড়িত তারা মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মাদক ব্যবসায়ীদের মাদক পাচারে সহায়তা করে।
পুলিশের এক কর্মকর্তা বার্তা বিচিত্রা কে বলেন সরকার মাদক ব্যবসা বন্ধে জিরো টলারেন্সের ভূমিকায় অবতীর্ণ কিন্তু পুলিশের কিছু ঔষধ কর্মকর্তার কারণে এ কাজের সফলতা দেখছেনা প্রশাসন। যদিও আগের চাইতে কিছুটা শক্ত অবস্থানে রয়েছে পুলিশ প্রশাসন এখন প্রায় প্রতিদিন পুলিশের হাতে গ্রেফতার হচ্ছে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীরা।
তবে পুলিশ প্রশাসন চাইলে মাদক ব্যবসায়ীদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনতে পারে বলে অনেকের ধারণা। প্রফেসর আবুল কালাম বার্তা বিচিত্রা কে বলেন প্রশাসন চাইলে অপরাধের প্রবণতা কমে আসবে অনেকটাই মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারের পাশাপাশি মাদক সেবনকারীদের গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করলে যুবসমাজ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পাবে। পুলিশ প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যদি একসাথে কাজ করে মনোযোগ দিয়ে এবং সৎ ভাবে কাজ করে তাহলেই এটা সম্ভব। নয়তো সরকার যতই কঠোর হোক না কেন এতে সফল হবে না।