কোনো এক ছন্দনামীয় নারীর জোরালো আবেদন সকল নারী দের প্রতি

এই প্রতারক চক্র থেকে মা বোনেরা সাবধান,, থাকবেন। এই প্রতারকের প্রথম শব্দ হলো বড় বউয়ের বাচ্চা হয় না দীর্ঘকাল তাই আমি একটা বিয়ে করে আঁটকুড়ে নামক লজ্জা থেকে বাঁচতে চাই। নামঃআলমগির  বাদশা নীলফামারী,   জেলা,জল ঢাকা থানা  মুদিপাড়া গ্রাম, পিতা মৃত্যঃ তবিবুর রহমান, মাতা আনোয়ারা বেগমের,  কুলাঙ্গার সন্তান এই নারী জৌলুস আলমগীর বিয়ে থেকে শুরুকরে বিভিন্ন ধরনের  প্রতারণা করে মেয়ে মানুষদের কে  প্রতারণার ফাদে  ফেলে  ব্ল্যাকমেইল করে বিভিন্ন ধরনের আপত্তিকর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছেড়ে দিবে বলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে হাতিয়ে নেয় লাখ লাখ টাকা। ‌এভাবেই সে দিনের পড়ে দিন অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।
এরপর যখন নারী আর টাকা দিতে পারে না,তখন তাকে ফেলে নতুন করে অন্য নারীকে ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করে। অনেক নারীদের ভাষ্যমতে এই প্রতারক আলমগীরের কৌশলের কাছে হেঁড়ে যেতে হয় অবলা নারিদের,মোট কথা প্রতারণার ফাঁদে ফেলেই  একাধিক  মেয়ের জীবন নষ্ট করেছে। 

ছন্দ নামীয় কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্ত নারীরা প্রতারক আলমগীর এই নাম্বার দুইটি দিয়ে একাধিক প্রতারনা করেছেন বলে জানান 01919431104, 01815760640 সম্প্রীতি বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে বর্তমানে ফরিদপুরের সাহেদা আক্তার  (তুলি) পিতা মোঃ টুকু মীর গ্রাম, কাগদী , ইউনিয়ন: মাঝারদিয়া,  থানা সালথা,জেলা, ফরিদপুর কে ৪ নম্বর বৌ তুলি কে নিয়ে ঘড় বেঁধেছে। 
মেয়েটা তবে কিন্ত এই মেয়ে মানুষটাও ফ্রেস নয়  তাই ওর প্রতারণার ফাঁদে পা দিয়েছে মেয়েটা ভেবেছে এই প্রতারক আম্বালা ফাউন্ডেশন নামক বড় এনজিও  প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে অনেক টাকা বেতন পায়  সেই লোভে পড়ে গেছে, ওকে যে কত দিন মেয়াদ  দিয়েছে সেটা ও নিজেও জানে না,,   এই প্রতারক  চক্র হতে সাবধান ,  এ মেয়ে মানুষকে  নিয়ে খেলতে  ভালোবাসে ওর নেশাই হলো মেয়ে মানুষদের জীবনটাকে ধ্বংস করে নিঃস্ব করে  দেওয়া, এই প্রতারকের  কাছে মা মেয়ে ফুফু এবং বোনের বয়সী ওর কাছে কিছুই না ।  
এই প্রতারকের ফাঁদে পড়ে  মেয়ে মানুষের জীবন ও ইজ্জত নষ্ট হয়ে গেছে যার প্রমাণ আমার কাছে আছে, এই প্রতারক বড়লোকের  বৌ এবং যে  মেয়েদের টাকা আছে তাদেরকেই  প্রতারণার জাল বিছিয়ে  প্রেমের ফাঁদে ফেলে লক্ষ লক্ষ টাকা নেয়, যখন যে মেয়ে থাকে  টাকা দিতে অস্বীকার করে তখন আবার আরেক জনকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে, আগের সেই  মেয়ে মানুষগুলোকে ভুলে যায়, অনেক নিকৃষ্টভাবে তাদেরকে গালিগালাজ করে  এবং তাদেরকে বিভিন্ন বদনাম দিয়ে দূরে সরে যাওয়ার তালবাহানা শুরু করে, এরপর অন্য জায়গায় গিয়ে আবার নষ্টি ফস্টিতে মেতে ওঠে, এখানেই শেষ নয় এমন কোন নেশা নেই এই প্রতারক ছেলেটি না করে, মেয়ে মানুষ থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা নেশা জাতীয় খাবার  খেয়ে থাকে, বোনদের বলছি এই প্রতারক ছেলের কাছ থেকে সাবধান থাকবেন আপনারা এটাকে ছেড়ে দিয়ে আবার কাকে ধরবে সেই চেষ্টা চলছে।এই প্রতারক থেকে ছন্দনামীয় কোন এক নারী কে নিঃস্ব করে ফেলেছে।

অনেক নারিদের অভিযোগ এই নারী লোভী জৌলুস আলমগীর কে কঠিন শাস্তি দেওয়া হোক যাতে করে আর কোন নারিদের জিবন এবং ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে।