রাজধানীতে নবজাতক সহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার: ৩ দিনে আসামি গ্রেপ্তার, দাবি পিবিআইয়ের

তাছলিমা তমাঃ 

রাজধানী ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় তালাবদ্ধ একটি কক্ষ থেকে নবজাতক সহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

পিবিআই ঢাকা জেলার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আশুলিয়া থানাধীন জামগড়া এলাকায় একটি কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কক্ষের ভেতর থেকে অর্ধগলিত অবস্থায় দুই প্রাপ্ত বয়স্ক ও সদ্য ভূমিষ্ঠ একটি নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তে পিবিআই ঢাকা জেলার একটি দল অভিযান চালিয়ে মনিরুজ্জামান ওরফে হৃদয়কে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে ভুক্তভোগী নাজমার ব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, সিম, অফিসের পরিচয়পত্র ও হ্যান্ড পার্স উদ্ধার করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
পিবিআই জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আসামি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরবর্তীতে তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

পিবিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনার দিন নাজমা ও আলমগীর আসামি হৃদয়ের বাসায় গেলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মারধরের ঘটনা ঘটে এবং নাজমা গুরুতর আহত হন। পরে ঘটনাটি ভিন্ন দিকে মোড় নেয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
পিবিআই আরও জানিয়েছে, ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় তিন দিনের মধ্যে একজন আসামিকে গ্রেপ্তার এবং আলামত উদ্ধারের মাধ্যমে তদন্তে অগ্রগতি হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।