‘টেস্টোস্টেরন স্ক্রিনিংয়ের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ কি হেগসেথের হাতে নেই’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ নতুন একটি টেস্টোস্টেরন স্ক্রিনিং কর্মসূচি ঘোষণা করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। ৩০ বছর বা তার বেশি বয়সী সেনাসদস্যদের শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা পরীক্ষা করার এ উদ্যোগকে তিনি সেনাদের ‘যুদ্ধসক্ষমতা’ বজায় রাখার অংশ হিসেবে তুলে ধরেছেন।
হেগসেথ এক্সে প্রকাশিত ভিডিওতে কর্মসূচির নাম দেন ‘হাই-টি ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার’। তিনি জানান, প্রয়োজন হলে সরকার টেস্টোস্টেরন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপির সুবিধাও দেবে।
তবে এই নীতি নারী সেনাদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য হবে কি না, তা স্পষ্ট করা হয়নি। সমালোচকদের দাবি, হেগসেথের অতীত অবস্থান বিবেচনায় এই উদ্যোগ সেনাবাহিনীতে নারী ও সংখ্যালঘুদের অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।
এদিকে নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি নৌবাহিনীর সাতজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার পদোন্নতিও আটকে দিয়েছেন হেগসেথ, যাঁদের বেশির ভাগই নারী বা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্য।
কলামিস্ট আরওয়া মাহদাউই তাঁর বিশ্লেষণে প্রশ্ন তুলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ও ইরান-সংকটের মতো গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যে টেস্টোস্টেরন স্ক্রিনিংকে অগ্রাধিকার দেওয়া কতটা যৌক্তিক। তাঁর মতে, প্রতিরক্ষামন্ত্রীর উচিত সামরিক ও কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মনোযোগ দেওয়া, বিতর্কিত প্রতীকী কর্মসূচিতে নয়।