শনিবারের কর্মসূচি ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে কোনো সাড়া নেই। এতে সাধারণ মানুষ অংশ নেবে না বলেও দাবি করেন তিনি। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ঝিনাইদহ শহরের কালেক্টরেট জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াতের নেতারা দাবি করেন, আল্লাহ ছাড়া তারা কাউকে ভয় পান না। কিন্তু আওয়ামী লীগের ভয়ে যদি গোপালগঞ্জে পথসভা করতে না পারেন, তাহলে তাদের সেই দাবির যৌক্তিকতা কোথায়? তাদের যদি নীতি-নৈতিকতা থাকে, তাহলে গোপালগঞ্জে একটি পথসভা করে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করা উচিত। গোপালগঞ্জে পথসভা না করার মধ্য দিয়ে বোঝা যায়, জামায়াত এখনো আওয়ামী লীগকে ভয় পায়।
তিনি বলেন, খুলনা বিভাগের মানুষ আগামীকাল (শনিবার) জামায়াতকে লাল কার্ড দেখাবে। অন্যান্য বিভাগের তুলনায় খুলনায় ১১ দলীয় ঐক্যজোটের লংমার্চ হবে সবচেয়ে দুর্বল।
এদিকে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের কথিত গোপন বৈঠকের প্রসঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, ওই বৈঠকের তথ্য রাষ্ট্রের কাছে রয়েছে। জামায়াত ভবিষ্যতে ক্ষমতায় যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এখন থেকেই ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের চেষ্টা শুরু করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
জবাব রাশেদ খাঁন , এনসিপি নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানাই। তারা গোপালগঞ্জে লংমার্চ ও পথসভা করেছিল। যদিও সেখানে তারা কর্মসূচি ভালোভাবে পালন করতে পারেনি। পরবর্তী সময়ে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় তাদের ঢাকায় ফিরতে হয়েছে।
এ সময় ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, আব্দুল মজিদ বিশ্বাসসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।