সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসলেই চট্টগ্রাম মহানগরীর ওভারব্রিজ গুলোতে মাদক সেবনকারী এবং ছিন্তায় কারীদের আস্তানায় পরিণত হয়। বিশেষ করে নিউমার্কেট এলাকা বন্দর প্রিপোর্ট এলাকা পতেঙ্গা এলাকা বহদ্দারহাট এলাকা ওয়াসার মোড় এলাকাসহ নগরীর যে কয়েকটা ওভারব্রিজ রয়েছে এবং ফ্লাইওভারগুলোতেও ছিনতাইকারীরা ওত পেতে থাকে সুযোগ বুঝেই বিভিন্ন যানবাহন আটকে এবং ওভারব্রিজে চলাচল রথ সাধারণ পথচারীদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সর্বস্ব চিন্তাই করে নেয়।
বার্তা বিচিত্রার অনুসন্ধানে দেখা যায় নগরীর ফ্লাইওভারগুলোতে তেমন কোন নিরাপত্তা নেই। অনেকটা ভয় নিয়ে যানবাহন চলাচল করে ফ্লাইওভারগুলোতে। টহল পুলিশ দায়িত্বে থাকার কথা থাকলেও তাদের তেমন দেখা যায় না।
চট্টগ্রাম ইপিজেড এলাকার চাকরিজীবী হুমায়ুন কবির বার্তা বিচিত্রা কে বলেন ইপিজেড এলাকায় ছুটি হয় সন্ধ্যা বেলায়। ছুটি হওয়ার পরে সড়ক পারাপার হওয়ার জন্য ওভারব্রিজ ব্যবহারের সময় মাদক সেবনকারীরা পথ আটকে সর্বস্ব ছিন্তাই করে নেয়। স্থানীয় প্রশাসন সঠিকভাবে টহল না দেয়াই ছিন্তাই কারী ও মাদক সেবীদের দৌরাত্ম্য বেড়েই চলেছে ক্রমান্বয়ে। সড়কের সাধারণ পথচারী চলাচল করতে পারে না ভয়ে অনেক সময় দস্তা দস্তি করতে হয় চিন্তাই কারীদের সাথে এতে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে অনেক সময় আঘাত করে।
নগরীতে যেসব ওভারব্রিজ রয়েছে সেগুলোতে লাইটিংয়ের ব্যবস্থা নেই অন্ধকারচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে সন্ধ্যাকালীন সময়ে। এতে ছিন্তায়কারীদের সুবিধা হয় পথচারীদের কাছ থেকে ছিন্তাই করতে। লাইটিং এর ব্যবস্থা থাকলে হয়তো ছিন্তাই এর মত ঘটনা কমে আসতো এবং মাদক সেবনকারীরাও অবস্থান করতে পারত না।
ডাবল মুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বার্তা বিচিত্রা কে বলেন নগরীর ছিন্তাই কারী এবং মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের গ্রেপ্তারে সব সময় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নগরীর থানাগুলো প্রতিদিন কয়েকজন করে আসামি গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করে। আগামীতে পুলিশের টহল ডিউটি আরো বাড়ানো হবে নগরবাসীর সুবিধার্থে।