কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ছয়সূতী ইউনিয়ন ছাত্রদলের তৎকালীন সহসভাপতি রেফায়েত উল্লাহর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর কবর জিয়ারত ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার ছয়সূতী ইউনিয়নের বড় ছয়সূতী গ্রামের কবরস্থানে মরহুমের কবর জিয়ারত ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, ২০২৩ সালের ৩১ অক্টোবর তৎকালীন আওয়ামী দুঃশাসনের প্রতিবাদে ও সরকারের পদত্যাগের দাবিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলার ছয়সূতী বাসস্ট্যান্ডে অবরোধ চলাকালে অবরোধকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় রেফায়েত উল্লাহ ও ছয়সূতী ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি বিল্লাল হোসেন নিহত হন।
শহীদ রেফায়েত উল্লাহর পরিবারের সদস্য ও বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযোগ, পুলিশের গুলিতে তাঁরা নিহত হন। এ ঘটনায় তৎকালীন কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফার নির্দেশনার অভিযোগও তাঁরা তুলে ধরেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য জানা যায়নি।
কবর জিয়ারতের আগে রেফায়েত উল্লাহর বাবা মোঃ কাউসার মিয়া এবং বিএনপির নেতৃবৃন্দরা রেফায়েত উল্লাহ ও বিল্লাল হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় দ্রুত বিচার দাবি করেন।
কবর জিয়ারত শেষে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন বড় ছয়সূতীর আরব আলী খান ফুরকানিয়া ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মাহমুদ হাসান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মোঃ ছিদ্দিক মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মুহাম্মদ শাহ্ আলম, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আজাহার উদ্দিন লিটন, উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বিপ্লব, ছয়সূতী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান মিজান, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ জাহের মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফরিদ মিয়া, ছয়সূতী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মশিউর রহমান সজীব ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ রবিন মিয়া, ৪নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মোঃ সাইফুল মিয়া, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের ও শহীদ রেফায়েত উল্লাহর বাবা মোঃ কাউসার মিয়াসহ বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।