পুলক রায়,নালিতাবাড়ী,শেরপুরঃ
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে তুচ্ছ বিরোধকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূকে মারধর ও শ্লীলতাহানীর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্যের ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী রহিমা খাতুন (২৭) উপজেলার মরিচপুরান গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে অভিযুক্ত রায়হান মিয়া (২৬) তার গৃহপালিত ছাগল ধানক্ষেতে ছেড়ে দিলে রহিমা প্রতিবাদ জানান। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে রায়হান ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রায়হান প্রায়ই তার ছাগল উন্মুক্তভাবে ছেড়ে দেওয়ায় আশপাশের ফসলের ক্ষতি হতো। ঘটনার দিনও ২০-২৫টি ছাগল রহিমাদের ধানক্ষেতে ঢুকে পড়ে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রহিমা ছাগলগুলো তাড়িয়ে দেন এবং প্রতিবাদ জানান। এতে উত্তেজিত হয়ে রায়হান দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়।
অভিযোগে বলা হয়, ধানক্ষেতেই রহিমাকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। একই সঙ্গে তাকে মাটিতে ফেলে শ্লীলতাহানী করা হয়। এ সময় ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তার গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।
রহিমার চিৎকারে তার স্বামী সাইফ উদ্দিন ও স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় শনিবার রাতে ভুক্তভোগীর স্বামী সাইফ উদ্দিন বাদী হয়ে নালিতাবাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তের পক্ষ থেকে মামলা না করতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।