নিজস্ব প্রতিবেদক:
ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগামী মাস থেকে সিলেট নগরের বাসাবাড়িতে গিয়ে এডিস মশার লার্ভা আছে কি না, তা পরীক্ষা করবে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)। কোথাও লার্ভা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে এর উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করা হবে বলে জানিয়েছেন সিসিক প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী।
মঙ্গলবার নগর ভবন প্রাঙ্গণ থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক শোভাযাত্রা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত শোভাযাত্রাটি নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে নগর ভবনে এসে শেষ হয়।
আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘আমরা একটি ডেঙ্গুমুক্ত নগর গড়ে তুলতে চাই। এ লক্ষ্যে চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকেই প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম শুরু করেছি। এখন ডেঙ্গুর মৌসুম শুরু হওয়ায় সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে। বাসাবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।’
তিনি জানান, এখন পর্যন্ত সিলেট নগরে কোনো ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়নি। তবে আক্রান্ত হওয়ার জন্য অপেক্ষা না করে আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জনসচেতনতা বাড়াতে মাইকিং, লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার বলেন, প্রাথমিকভাবে কোনো বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়া গেলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। সচেতনতার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে এবং বাসাবাড়িতে পানি জমে না থাকার বিষয়ে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করা হবে।
তিনি আরও জানান, প্রতিটি বাড়িতে লার্ভা নিধনের ওষুধ পৌঁছে দেওয়া হবে। কোথাও লার্ভা পাওয়া গেলে তা স্প্রে করে ধ্বংস করা হবে।
সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, হাসপাতালগুলোতে পৃথক সার্ভেইল্যান্স টিম কাজ করবে। কোনো ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হলে কুইক রেসপন্স টিম আক্রান্ত ব্যক্তির বাসা এবং আশপাশের অন্তত ২০টি বাড়িতে তাৎক্ষণিক অনুসন্ধান চালাবে।