খাদ্য অধিদপ্তরের ওপেন মার্কেটিং সেলে খাদ্য পরিদর্শক মোহাম্মদ নান্নু মিয়ার বিরুদ্ধ অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  

রাজধানীর মোহাম্মদপুর পুরোনো থানা রোড বিহারী ক্যাম্প এর পাশে ওএমএস (খোলাবাজারে খাদ্যশস্য বিক্রি) কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ডিলারের খাতায় দায়িত্বপ্রাপ্ত খাদ্য পরিদর্শকের স্বাক্ষর না থাকলেও বিক্রির অনুমতি মেলে নাকি মুঠোফোনে এমন অভিযো উঠেছে খাদ্য পরিদর্শক নান্নুর বিরুদ্ধে।

তার এমন অনেক দুর্নীতি প্রমানিত হওয়ার কারনে ১৯/১১/২০২৫ থেকে ১০/১২/২০২৫ পর্যন্ত শাস্তি স্বরুপ সাময়ীক সময়ের জন্য কর্মস্থান থেকে অব্যাহতি প্রদানেরও নজির রয়েছে। 

সরেজমিন তদন্তে দেখা যায়, ডিলার শাহাবুদ্দিনের খাদ্যশস্য ভর্তি ট্রাক সকাল ৯টায় বিক্রয়কেন্দ্রে পৌঁছানোর কথা থাকলেও তা প্রায় ১০টার দিকে সেখানে পৌঁছায়। এতে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করতে হয় সাধারণ ক্রেতাদের। তাদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে একাধিক ব্যাক্তির বক্তব্য । পাশাপাশি বস্তাসহ ওএমএসের পণ্য অন্যত্র কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগও করেন তারা।

অভিযোগের বিষয়ে খাদ্য পরিদর্শক নান্নু বলেন, “আমি অন্য  জায়গায় থাকার কারণে মুঠোফোনে  বিক্রি করার অনুমতি দিয়েছি।”

এদিকে আরেক ডিলার একরামের বিরুদ্ধেও রয়েছে ঠিকানা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ। কাগজপত্রে দেওয়া ঠিকানায় তাকে পাওয়া যায়নি। অভিযোগ রয়েছে, এক ঠিকানা দেখিয়ে অন্য স্থানে ওএমএসের পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে সিসিডিআর আব্দুল কাদেরকে অবহিত করলে তিনি অতিদ্রুত ব্যাবস্থা নিবেন বলে জানান।
এসব বিষয়ে খাদ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসরীন সুলতানা লিপির সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে সাক্ষাতে বা ফোনে পাওয়া যায়নি। একই বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হাসানের সঙ্গেও ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সরকারের দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য পরিচালিত ওএমএস কর্মসূচিতে এমন অভিযোগে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে জনমনে। স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলো দ্রুত তদন্ত করে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ  ব্যবস্থা নেওয়া হোক।