প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সময়: ১১:৩২ এএম
সাপ্তাহিক তথ্য বিচিত্রার সাংবাদিক দুলাল বিশ্বাসকে মব সৃষ্টি করে হয়রানি মূলক মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতির প্রতিবাদে মানববন্ধন
নিজস্ব প্রতিনিধি,ঢাকা
সাপ্তাহিক তথ্য বিচিত্রার সাংবাদিক দুলাল বিশ্বাসকে মব সৃষ্টি করে হয়রানি মূলক মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর মিরপুরের ফুটের চাঁদা নিয়ন্ত্রন করছে নতুন হতের পুরাতন চাঁদা বাজরাই। নিয়ন্ত্রন করছে পর্দার আড়ালে থেকেই।
জুলাই আগষ্টের বৈষম্য পরিবর্তন হলেও মিরপুর—১০ এর ফুটের নিয়ন্ত্রন করছে একদল সন্ত্রাসীসহ ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙ্গিয়ে চলছে বেপুরোয়া চাদাবাজি। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলেই দোকান হাতছাড়া,হতে হচ্ছে নির্যাতনের শিকার। মিরপুর —১০ থেকে মিরপুর—১৪ নাম্বার বেশির ভাগ রাস্তা দখল করে বসছে ফুটপাতের দোকান। লোক দেখানো উচ্ছেদ করলেও বাস্তবতার সাথে মিলনেই। ফুটের লাখ লাখ চাঁদা উত্তলন করলেও দেখার কেউ নেই। শামীমের ক্যামেরায় বিস্তারিত জানাচ্ছেন মুসা মিয়া।
ভয়েস ওভার ঃ—
মিরপুরের ফুটপাতে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদা উত্তলনের দায়িত্ব এখন সাবেক ছাত্র নেতা আশরাফুল ইসলাম মামুনের মাধ্যমে চলে যাচ্ছে সন্ত্রাসী ও কিলার তাজ, আব্বাসসহ রয়েছে শাহীনূর ইসলাম জীবন, বিএনপির নজু মাদবর। তারপরেও রয়েছে দলের ভাগ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা এই টাকার ভাগ পায়।
মিরপুর —১০, ফায়ার সার্ভিস, আইডিয়াল, হোপ ও ওয়াসার সাথে বিভিন্ন রাস্তার অংশ বিশেষ ফুটে থাকা দোকান গুলির মূল চাঁদা ও দখল বাণিজ্যের মূল হোতা তাজ, আব্বাস । জুলাই আগষ্টের পর জেগে উঠেছে নতুন চাঁদা বাজ সাবেক ছাত্রদল নেতা আশরাফুল ইসলাম মামুন, ৩নং ওয়ার্ডের নজু মাদবর। বর্তমান বিএনপির ছত্রছায়ায় থাকা রং বদলানো অনেকেই গাঁ ঢাকা দিলেও সবাই এই টাকার ভাগ নিচ্ছে। মিরপুর—১০ থেকে মিরপুর ১৩ নাম্বার পর্যন্ত সর্বমোট চাঁদার টাকা উত্তরন হয় আনুমানিক প্রায় ৫০,০০০০/ (পঞ্চাশ লক্ষ) টাকা। এই টাকার ভাগ থানা পূলিশ থেকে শুরু করে সবাই নেয়।
সরকারে রাস্তা বন্ধকরে জন দূর্ভোগ সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দিয়ে এই টাকা নিরবে চাঁদাবাজি করে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ব্যবহার হচ্ছে। বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়ত ইসলামী প্রতিশ্রম্নতি দিয়ে ছিলো সন্ত্রাসী চাঁদা বাজ আমরা রাখবো না। কিন্তু এখনও দৃশ্যমান কোন কিছু দেখা যাচ্ছে না। সকল চাঁদাবাজ ও তাদের সহযোগীদের নামের তালিকা দেওয়া হলেও আইনের আওতায় আনা হচ্ছে না। ১৫ই জানুয়ারী ২০২৬ কাফরুল এলাকায় সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে বিদেশী পিস্তলসহ মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম নামক এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করলেও ধরা ছুয়ার বাইরে রয়েছে মূল হোতা। সেনাবাহিনী ছাড়া আইন শৃংখলা অন্য কোন বাহিনী দৃশ্যমান কোন সাফল্য দেখা যায় না।
সাধারণ সচেতন মহলের অভিমত ফুটপাতসহ সকল চাঁদাবাজী ও মাদক কারবারিদের আইনের আওতায় আনতে পারলে বন্ধ হবে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড। অবৈধ ভাবে অতিসহজে অর্থ উপার্জন করতে পারলে সেটা ব্যয়হয় খারাপ কাজে। ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী সরকারে সময় থেকে শুরু করে অদ্য পর্যন্ত যারা এই দীর্ঘ ১৭ বছর ফুটপাতের চাঁদা উত্তলন করতো এখনও তারাই রয়েছে। শুধু পট পরিবর্তন হয়েছে সেই সাথে মানুষের রং বদল হয়েছে। আগে করতো নৌকা এখন সবাই ধানের শীষ ও দাড়িপাল্লা। সন্ত্রাসী ও চাঁদা বাজরা কারো আপন জন নয়। বিজ্ঞ জনেরা মনে করেন সারা ঢাকা শহর ফুটপাতের জন্য ছেড়ে দিলেও আরও জায়গা লাগবে। ঘরে বসে টাকা উত্তলন করতে পারলে পরিশ্রম কেউ করতে চায় না।
দীর্ঘদিন যাবৎ মিরপুরের —১০ থেকে মিরপুর ১৩ নাম্বার পর্যন্ত ফুটপাতের দোকান বসিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা চাদা বাণিজ্য করছে এই সিন্টিকেট । সরকারের জায়গায় দোকান বসিয়ে এই সন্ত্রাসী চাঁদা বাজরা ফুটপাতের দোকান বরাদ্দ দিয়ে বাণিজ্য করছে । এব্যপারে কেউ মূখ খূললে তাকে দোকান থেকে উঠিয়ে নিয়ে অমানবিক টর্চার করছে। সেই সাথে তার দোকানটি হয়ে যাচ্ছে হাত ছাড়া। পর্দার অন্তরালে থেকেও তাজ ও আব্বাসের নামে চাঁদা উত্তোলন করছে। এই চাঁদা উত্তলনে সহযোগীতা করছে জীবন ও সাবেক ছাত্রদল নেতা আশরাফুল ইসলাম মামুন, বিএনপি ৩নং ওয়ার্ড সভাপতি নজু মাদবর । এছাড়াও চাঁদা উত্তোলনে সহযোগীতা করছেন নাম না জানা অনেকেই।
সাবেক কাউন্সিলর মানিকের ঘনিষ্ঠতার সুবাদে শাহিনুর ইসলাম জবিন ও আবুল নামে দুই কুখ্যাত চাদাবাজ দীর্ঘ ১৭ বছর যাবৎ আদায় করছেন ফুটের টাকা। একসময় তাদের দাপটে মিরপুর ১০ এলকার হকার ও দোকানদাররা দিতেন চাঁদা। এ সংক্রান্ত বিষয়ে ভূক্তভোগী ব্যবসায়ীদেও একাধিক অভিযোগ থাকে্ব ও আইনশৃঙখরা বাহিনী ম্যানেজ হয়ে যেত তাদের অর্থ কিংবা ক্ষমতায় । প্রায় ১৫/২০ জনের সংঘবদ্ধ এ চাদা বাজ চক্র সরকার পতনের পর কিছুদিন থেমে থাকরেও খোলস পাল্টে আবারো জোরপূর্বক দোকান দখল বিক্রি ও ফুটপাত ভাড়ায় নেমেছে তারা। আইডিয়াল স্কুল ও হোপের সামনে প্রায় ৪শত দোকান ।
প্রতিদোকান থেকে চাঁদা উত্তোলন করে প্রতিদিন ২৫০/৩০০ টাকা । এছাড়াও পজিশন ও জামানতের নামে সরকারী ফুটপাত বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। প্রতিমাসে প্রতিদোকান থেকে চাঁদা নেয় ৪০০০/ টাকা করেন। এই চাঁদা উত্তোলন করে, সাদ্দাম শহদি , বাপ্পি, মুরসালনি,মুক্তার, রনি,জাপান,এরশাদ, পারভেজ, ও সাকিবসহ উঠতি বয়সি কিছু তরুনদের দেখা যাচ্ছে চাঁদা আদায় করতে। আইডিয়াল স্কুলের সামনে ভূক্তভোগী দোকানদার বাবুল জানান, চাঁদার টাকা না দেওয়াই আবুল ও জীবন তার দোকান দেড় লাখ টাকা বিক্রি করে দেয়। পুলিশের মিরপুর মডেল থানায় অভিযোগ করলে জানতে পেরে অস্ত্র দেখিয়ে ভূক্তভোগীর পরিবারকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
সাবেক ছাত্রদল নেতা আশরাফুর ইসলাম মামুনের ছাত্রছায়ায় ৪০/৫০জনের একটি বাহিনী মিরপুর —১০ থেকে মিরপুর ১৩ নাম্বারের সব ফুটপাতসহ বিভিন্ন বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে তাদের শক্তি আরও বৃদ্ধি পায়। এই বাহিনীর ভয়ে কেউ মূখখূলতে পারছে না। তাই নিরবে চাঁদা দিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। মিরপুরের হোপে ফুটপাতে সর্বমোট দোকান রয়েছে ৭০০। প্রতি দোকান থেকে মাসিক চাঁদা উত্তোলন হয় ৪০০০ টাকা করে ২৮ লাখ । এই চাঁদা উত্তলনে সহযোগিতা করছে , মোঃ রাসের বোরকার ব্যবসায়ী, কাউসার কাপড় ব্যবসায়ী, আতাউর রহমান আতা সিরামিক্র ব্যবসায়ী, হাসান লাইট ম্যান।