বাগেরহাটের চিতলমারী স্থানীয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন কে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। পাড়া-মহল্লা ও চায়ের আড্ডায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে চুলচেড়া বিশ্লেষণ।
এর মধ্যেই সাধারণ জনতার আলোচনায় ও পছন্দের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন চিতলমারী উপজেলা বিএনপির সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক শরিফুল হাসান অপু। সততা, ত্যাগ এবং আদর্শের প্রতীক হিসেবে পরিচিত এই নেতা আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে উপজেলায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন।
ছাত্ররাজনীতি দিয়ে রাজনৈতিক জীবন শুরু করা শরিফুল হাসান অপু দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রাজপথের সম্মুখ সারিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তাঁকে বহুবার হামলা, মামলা ও রিমান্ডের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তিনি বারবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বিভিন্ন মামলায় কারা-বরণ করেন। তিনি কখনো নিজের নীতি-আদর্শ থেকে একচুলও সরে দাঁড়ায় নাই।
দলীয় পরিচয়ের বাহিরেও তিনি একজন শিক্ষিত, মার্জিত ও দক্ষ সংগঠক হিসেবে এলাকায় তাঁর রয়েছে সুদৃঢ় অবস্থান। চরম প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও আপসহীন নেতৃত্ব এবং সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার কারণে তৃণমূলের মানুষের মনে তাঁর প্রতি গভীর আস্থার ও ভালবাসার যায়গা করে নিয়েছেন। সাধারণ জনগন মনে করছেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সৎ ও পরিছন্ন রাজনীতি বীদ।
এই তরুণ নেতাকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে পাওয়া সময়ের দাবি। চিতলমারি উপজেলা বিএনপি'র ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে তিনি সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় শরিফুল হাসান অপু বিপুল ভোটে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
শরিফুল হাসান অপু একজন কর্মীবান্ধব নেতা এবং দক্ষ সংগঠনিক, তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের অন্তরের অন্তস্থলে জায়গা করে নিয়েছেন, তিনি যে সাধারণ জনতার পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের ভালোবাসার মানুষ সেই পরিচয় দলীয় নেতাকর্মীরা ব্যালটের মাধ্যমে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করে পরিচয় দিয়েছে। সাধারণ মানুষের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও সমর্থন কে পুঁজি করে তিনি আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়ে জনসেবায় আরও বড় পরিসরে ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আশাবাদী সাধারণ জনতা।