২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের সম্ভাব্য দাবিদার হিসেবে লামিনে ইয়ামাল কিংবা কিলিয়ান এমবাপ্পেকে নয়, স্পেনের মিডফিল্ডার ফাবিয়ান রুইজকে বেছে নিয়েছেন সাবেক স্প্যানিশ ফুটবলার ডেভিড সিলভা। তাঁর মতে, গত দুই বছরে দলীয় সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার কারণে ব্যালন ডি’অরের জন্য রুইজের নাম বিবেচনায় আসা উচিত।

ফুটবলবিষয়ক সংবাদমাধ্যম গোল ডটকমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি একটি স্প্যানিশ রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের পছন্দের কথা জানান সিলভা। তিনি মনে করেন, এবারের ব্যালন ডি’অর একজন স্প্যানিশ ফুটবলারের পাওয়া উচিত।

ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) হয়ে খেলা ফাবিয়ান রুইজকে নিয়ে সিলভা বলেন, দলীয় পারফরম্যান্সই তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, দলীয় সাফল্য ছাড়া ব্যক্তিগত অর্জনও কঠিন। তবে কাউকে একজনকে বেছে নিতে হলে তিনি রুইজকেই বেছে নেবেন।

সিলভার ভাষ্য, গত দুই বছরে রুইজ উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিরোপা জিতেছেন। পিএসজি ও স্পেন জাতীয় দলের হয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এই মিডফিল্ডার। রুইজের পারফরম্যান্স যথেষ্ট স্বীকৃতি পাচ্ছে না বলেও মনে করেন সাবেক ম্যানচেস্টার সিটি তারকা। তাঁর মতে, রুইজ অসাধারণ একজন খেলোয়াড় এবং নীরবে নিজের দায়িত্ব দারুণভাবে পালন করে যাচ্ছেন।

এ ছাড়া স্পেনের আরেক তারকা রদ্রির কথাও উল্লেখ করেন সিলভা। তাঁর মতে, রদ্রি ইতোমধ্যে ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। তা না হলে সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে তাঁর নামও বিবেচনা করতেন। এদিকে স্প্যানিশ লা লিগার শিরোপার লড়াই নিয়েও নিজের মতামত জানিয়েছেন ডেভিড সিলভা। বার্সেলোনার চেয়ে ছয় পয়েন্ট পিছিয়ে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বার্সেলোনা বর্তমান মান ধরে রাখতে পারলে রিয়ালের জন্য শিরোপা জেতা কঠিন হবে।

বার্সেলোনার কোচ হান্সি ফ্লিকের অধীনে দলের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে সিলভা বলেন, দলটি উচ্চমানের ফুটবল খেলছে এবং ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্স করছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে তাদের চ্যালেঞ্জ জানানো প্রতিপক্ষের জন্য কঠিন হবে।

তবে রিয়াল মাদ্রিদকে পুরোপুরি হিসাবের বাইরে রাখতে নারাজ সাবেক এই স্প্যানিশ তারকা। তাঁর মতে, রিয়ালের দলে অসাধারণ সব খেলোয়াড় রয়েছেন। তাই শিরোপার লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ তাদের রয়েছে।

উল্লেখ্য, ব্যালন ডি’অর বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত ফুটবল পুরস্কার। খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ও দলীয় সাফল্যসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।