চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়ে জটিলতা কাটছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেউ উপাচার্যের দায়িত্ব নিতে চাচ্ছেন না। গত ২১ সেপ্টেম্বর সাবেক উপাচার্য ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে নতুন উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক ড. শেখ শরিফুল আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। ড. শরিফুল আলম উপাচার্য হওয়ার খবর শুনে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীরা সর্বাত্মক শাটডাউন কার্যক্রম শুরু করেন।
শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবি ছিল সাবেক ভিসি অধ্যাপক সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহাল করা। বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন শুরু হওয়ার পর শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা শুরু হওয়ায় একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচল অবস্থার সৃষ্টি হয়। কাজে গতি হারায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ড. মুহাম্মদ আবু কাওসারকে রুটিন দায়িত্ব পালনের জন্য একটি ই-মেইল বার্তা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে ড. মুহাম্মদ আবু কাওসার বার্তা বিচিত্রাকে বলেন, আমাকে না জানিয়েই সদ্য নিয়োগকৃত ভিসি এ দায়িত্ব প্রদান করেছেন। প্রয়োজন হলে আমাকে ডিনের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিতে পারেন। তারপরও আমি এসব ঝামেলায় থাকতে রাজি নই।
মূলত উপাচার্য নিয়োগের পক্ষ-বিপক্ষ নিয়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করায় একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে যথেষ্ট প্রভাব পড়েছে বলে অভিভাবকেরা দাবি করেন। যত দ্রুত সম্ভব সরকারকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অভিভাবকদের দাবি।