ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার বানাই বাজার সংলগ্ন এলাকায় নির্দিষ্ট দাগ উল্লেখ করে জমি কিনেও তা বুঝে না পাওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। জমির মূল মালিক দিলীপ কুমার বর্মনের যোগসাজশে ক্রয়কৃত জমিটি বর্তমানে অন্য একজনের দখলে রয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী কুয়েত প্রবাসী মিরাজ খান। সর্বস্বান্ত এই প্রবাসী তার কষ্টার্জিত অর্থে কেনা জমির স্থায়ী বন্দোবস্ত ও আইনগত প্রতিকার চান।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুয়েত প্রবাসী মিরাজ খান দেশে নিজের ও পরিবারের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে কাঠালিয়ার বানাই বাজার সংলগ্ন এলাকায় নির্দিষ্ট দাগ উল্লেখ করে একটি জমি ক্রয় করেন। সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে জমি কেনা হলেও রহস্যজনক কারণে তিনি অদ্যাবধি সেই জমির দখল বুঝে পাননি। খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, তার কেনা জমিটি পরবর্তীতে অন্য একজনের দখলে চলে গেছে এবং এই পুরো নেপথ্য কারসাজির সাথে জড়িত রয়েছেন মূল জমির মালিক দিলীপ কুমার বর্মন।
এই জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আদালতে মামলা হলেও টাকা ও ক্ষমতার জোরে প্রবাসী মিরাজ ন্যায়বিচার বা রায় পাননি বলে অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, মামলার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস বা নথিপত্রের নিচের অংশ থেকে লেখা কালি দিয়ে মুছে দেওয়ার মতো গুরুতর জালিয়াতির অভিযোগও তুলেছেন ভুক্তভোগী প্রবাসী।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত দিলীপ কুমার বর্মনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, এই জমিটি এখনও সরকারি খাস জমি বা সরকারি সম্পত্তি হয়নি। এছাড়া জমি নিয়ে করা মামলাটির কোনো সত্যতা না পেয়ে আদালত তা খারিজ করে দিয়েছে বলে জানান তিনি।
এ ঘটনায় কুয়েত প্রবাসী মিরাজ খান ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, প্রবাসের কষ্টের রোজগার দিয়ে আইনসম্মতভাবে জমি কিনলেও আজ তিনি নিজের জমিতে পরবাসী। বারবার ঘুরেও এর কোনো সুরাহা পাচ্ছেন না তিনি। নিরুপায় হয়ে তিনি প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করে তার ক্রয়কৃত জমির স্থায়ী বন্দোবস্ত এবং এহেন জালিয়াতির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।