মহাপরিকল্পনায় তিস্তা দ্রুত্ব আলোর মূখ দেখবেঃ চীনা রাষ্ট্রদূত

Date: 2022-10-09
news-banner


মোঃ সুজন ইসলাম নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

 তিস্তাকে ঘিরে মহাপরিকল্পনার অংশ হিসাবে পূর্ব চীনের জিয়াংসু প্রদেশের সুকিয়ান সিটি আদলে তিস্তার দুই পাড়ের পরিকল্পিত স্যাটেলাইট শহর গড়ে তোলার কথা ভাবা হচ্ছে।নদী খনন ও শাসন ,ভাঙ্গন পতিরোধ ব্যবস্থা আধুনিক কৃষি সেচ ব্যবস্থা ,মাছ চাষ প্রকল্প,পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।এতে ৮ থেকে ১০ লাখ মনুষের কর্মসংস্থান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।এর ফলে উত্তরের জেলা লালমনির হাট,রংপুর,নীলফামারী,গাইবান্দা ও কুরিগ্রামজেলার আর্তিক সমৃদ্ধি হবে।এদিকে চীনের সহযোগীতায় তিস্থা মহাপরিকল্পনা দ্রুত আলোর মূখ দেখবে বলে আশা করছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এইচই মিলি জিমিং।গতকাল রবিবার সকালে তিস্তা ব্যারেজ এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ সব কথা জানান তিনি।তিনি বলেন ,প্রকল্প বাস্থবায়নে ব্যারেজ এলাকার সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে এবং দুই দেশের সরকারের প্রচেষ্টায় দ্রুত কাজ শুরু হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।প্রকল্পটি বাস্থবায়ন হলে সবদিক দিয়ে পরিবর্তন ঘটবে এ এলাকার। মানুষের জীবন মান উন্নয়ন অর্থনীতি,প্রকৃতি ও পরিবেশ যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ মানুষের প্রকৃতির ক্ষেত্রে এটি অবদান রাখবে। লি জিনিং বলেন এলাকার মানুষরা কি ভাবরছন সেটি সবার আগে খেয়াল করেছি আমরা।মানুষের কতটা চাহিদা রয়েছে সেটি ও দেখা হচ্ছে।তিস্তাকে ঘিরে মহাপরিকল্পনার পূর্ব চীনের জিয়াংসু প্রদেশের সুকিয়ান সিটি আদলে তিস্তার পাড়ের দুই পাড়ের মানুষের জীবন মানের পরিবর্তন হবে।এটি বাংলাদেশে আমার প্রথম কাজ।যদিও এ প্রকল্প বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জের,্রপও এটি করব। যেহুতু তিস্তা আন্তর্জাতিক নদী সে কারনে লাভ ও ক্ষতি কি রকম হচ্ছে সেটি ও বিবেচনা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান রাষ্ট্রদূত।তিনি আরো বলেন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এগুলো মূল্যাযন করা হবে।লালমনির হাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মোতাহার হোসেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড রঙপুর অঞ্চলের প্রধান আনোয়ারুল হক ভুইয়া,তত্ত্বাবধাক প্রকেীশলী খুশি মোহন সরকার, পানি উন্নয়ন বোর্ডেও ডালিয়া বিভাগের নির্বাহী  প্রকেীশলীআশফাউদেীলী প্রিন্স,ডিমলঅ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেলায়েত হোসেন ও এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সংসদ সদস্য মোতাহার হোসেন বলেন,তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন সময়ের দাবী হয়ে দাড়িঁয়েছে।বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রচেষ্টায় আলোর মূখ দেখছে তা। চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিংকে দেখে মনে হল তার মনোভঅব পজেটিভ। আমরা আশা করি দ্রট্টু সময়ের মধ্যে সু-খবর পাব।এই প্রকল্প বাস্তবায়ন জরুরি উল্যেখ কওে তিনি বলেন বর্ষার সময় পানিতে এলাকা প্লাবিত হয়ে জমি জায়গা ঘর বাড়ী যেমন তিস্তা গিলে খায় তেমনি খরার সময় পানির অভাবে চাষাবাদ ব্যাহত হয়।এদিকে চিনা রাষ্ট্রদূত তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শনে এসে খুখ খুশি হয়েছে। তারা কাজ করতে আগ্রহী।অঅমি মনে করি চীন ছাড়া তিস্তার মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব না।


Leave Your Comments