রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় লাম্পি আক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ।

Date: 2022-10-10
news-banner



নিউজ ইনসার্চ বার্তা বিচিত্রা।


রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় লাম্পি আক্রান্ত গরুর মাংস বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছে একটি কুচক্র মহল। এমন  সংবাদের ভিত্তিতে বার্তা বিচিত্রার অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে আসল রহস্য।
মিঠাপুকুর উপজেলার 10 নং বালুয়া মাসিমপুর ইউনিয়নের চাঁদপাড়া চাতাল, ও আকন্দ পাড়া গ্রামের মৃত অহেদ আলীর বাড়িতে এবং  মৃত-আবু  হোফাফজের ছেলে, আনোয়ার হোসেন(বড় মিয়া)এর বাড়িতে লাম্পি আক্রান্ত গরু গোপনে জবাই করে, তার মাংস স্থানীয়  বাবু কসাইয়ের কাছে,  চিড়িয়াখানায় মাংস দেবে এ কথা বলে    মাত্র ৩২০০ টাকা এবং আরেকটি ৩০০০ টাকার বিনিময়ে  সমস্ত গরুর মাংস বিক্রি করেন।
লাম্পি আক্রান্ত গরুর মালিকেরা জানান, আক্রান্ত গরুর চিকিৎসা দিতে আসা পল্লী প্রাণী চিকিৎসক হানিফ বলেন এই গরু টিকবেনা তার চেয়ে ভালো হবে বিক্রি করে দেন। তারপর  তিনি চলে যান। আক্রান্ত গরু মালিকের বাড়িতে গোপনে জবাই করে মাংস বিক্রি করেন। গরুর মালিক নিজেই তারা জানান এই গরুর মাংস চিড়িয়াখানায় দেয়া হবে।
পল্লী প্রাণী চিকিৎসক হানিফ জানান,
আমি গরুর চিকিৎসা দিয়েছি,গরুর অবস্থা ভালো না থাকায় আমি শুধু বলেছি এই গরুর অবস্থা খুব খারাপ আমার দ্বারায় সম্ভব নয় । এছাড়া আমি আর কিছু বলতে পারব না।
প্রাণিসম্পদ অফিসার  জাহাঙ্গীর জানান, লাম্পি আক্রান্ত  গরু  মানুষ এবং প্রানী কারো খাওয়ার উপযোগী নয়।এটা একটি মারাত্মক ভাইরাস, এই ভাইরাসে আক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রিয় করা অনেক বড়  অপরাধ। আমি ছুটিতে আছি অফিসে আাসলেই জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ  ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এছাড়াও এই নিউজের তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে, আনোয়ার হোসেন(বড় মিয়ার) ভাই মোতাহার এবং তার স্ত্রী রেখা সাংবাদিকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন, এবং মোবাইল ভাঙ্গার হুমকি দেন।প্রশাসনের কাছে সহযোগিতা কামনা করছি সংবাদের কাজে বাধা ও সাংবাদিক কে লাঞ্ছিত করায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা জোর দাবি জানাচ্ছি। 

Leave Your Comments