ইরান যুদ্ধ নিয়ে Germany–এর সমালোচনার জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। তিনি জার্মান চ্যান্সেলর Friedrich Merz–এর বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেছেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে ঠেকাতে যুদ্ধ প্রয়োজন ছিল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র গেলে তা শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, পুরো বিশ্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। তিনি বলেন, “ইরান পারমাণবিক অস্ত্র পেলে বিশ্ব কার্যত জিম্মি হয়ে যেত।”
ট্রাম্প আরও অভিযোগ করেন, মের্জ ইরান ইস্যুতে বাস্তবতা বোঝেন না। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে যা অনেক আগেই নেওয়া উচিত ছিল। একই সঙ্গে তিনি জার্মানির অর্থনৈতিক অবস্থান নিয়েও মন্তব্য করেন।
সম্প্রতি চ্যান্সেলর মের্জ ইরান যুদ্ধকে “অপরিকল্পিত” বলে সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার চেয়ে সেখান থেকে বের হওয়ার কৌশল আরও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি War in Afghanistan (2001–2021) এবং Iraq War–এর অভিজ্ঞতার উদাহরণ তুলে ধরেন।
মের্জের মতে, দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত প্রায়ই অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক জটিলতা বাড়ায়। তিনি ইঙ্গিত দেন, ইরান ইস্যুতে বর্তমান উত্তেজনা আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।
যদিও জার্মানি দীর্ঘদিন ধরে Israel–এর ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং ইউরোপে অন্যতম বড় অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ, তবুও সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে বার্লিনের অবস্থানে কিছুটা সতর্কতা দেখা যাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া শুধু ইরান ইস্যু নয়, বরং ইউরোপীয় মিত্রদের প্রতি তার দীর্ঘদিনের অসন্তোষেরও প্রতিফলন। বিশেষ করে NATO–এর সদস্য দেশগুলোর ভূমিকা নিয়ে তিনি প্রায়ই সমালোচনামূলক অবস্থান নেন।
ট্রাম্পের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ইরানকে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখা। তবে মার্কিন গোয়েন্দা মহলের কিছু অংশ অতীতে জানিয়েছে, ইরান সক্রিয়ভাবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পর্যায়ে রয়েছে—এমন প্রমাণ নিশ্চিত নয়।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান এই উত্তেজনা ইতোমধ্যেই বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং পশ্চিমা জোট রাজনীতিতে নতুন করে চাপ তৈরি করেছে।