ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি মো. হাদিউজ্জামান জুয়েল। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে এসব নলকূপ স্থাপনের মাধ্যমে স্থানীয় কৃষক ও এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের পানির সংকট নিরসনে উদ্যোগ নেওয়া হয়।
মালিয়াট ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাইটবাড়িয়া, মালিয়াট, বেথুলী, রাড়ীপাড়া, পাঁচকাহুনিয়া, মনোহরপুর, গয়েসপুর, দীঘারপাড়া, পারখিদ্দা, ভিটেখোলা, শশারপাড়া ও পরমান্দী চাকুলিয়া গ্রামের বিভিন্ন মাঠে এসব নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। বিশেষ করে কৃষিকাজের সময় কীটনাশক প্রয়োগ, পানির ব্যবহার এবং মাঠে কর্মরত কৃষকদের পানির চাহিদা পূরণে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে জীবিকার তাগিদে ঢাকায় স্টুডেন্টস মোটিভেশনাল স্পিকার হিসেবে কাজ করছেন। পাশাপাশি নিজ এলাকার মানুষের সেবায় যুক্ত থাকার কথা জানিয়েছেন তিনি। যশোর, ঝিনাইদহসহ দক্ষিণাঞ্চল থেকে ঢাকায় চিকিৎসা নিতে যাওয়া অসহায় রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসাসেবা পেতে সহযোগিতা করে আসছেন বলেও জানা গেছে। এসব জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও বিস্তৃত করতে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
নলকূপ স্থাপনের বিষয়ে বলেন, “আমার বাড়ি মালিয়াট ইউনিয়নের সাইটবাড়িয়া গ্রামে। এলাকার কৃষকেরা রোদে পুড়ে মাঠে কাজ করেন। অথচ পানির প্রয়োজনে তাঁদের অনেক দূর যেতে হতো। বিশেষ করে ফসলের জমিতে কীটনাশক ছিটানোর সময় পানির সংকটে তাঁদের অতিরিক্ত সময় ও শ্রম ব্যয় হতো। কৃষকদের কাছে তাঁদের সবচেয়ে বড় সমস্যার কথা জানতে চাইলে তাঁরা নলকূপ স্থাপনের অনুরোধ জানান।”
, “কৃষকদের দুর্ভোগের বিষয়টি এলাকার এক ছোট ভাইকে জানাই। পরে তাঁর দেওয়া অনুদানে নলকূপ স্থাপনের ব্যবস্থা করা হয়। এর মাধ্যমে এলাকার বিভিন্ন মাঠে কৃষকদের সুবিধা এবং মানুষের সুপেয় পানির চাহিদা পূরণে কিছুটা হলেও অবদান রাখতে পেরে ভালো লাগছে।”
স্থানীয় কৃষক গোলাম রসুল বলেন, “মাঠে কাজ করার সময় পানির খুব কষ্ট হতো। কীটনাশক ছিটানো কিংবা খাওয়ার পানির জন্য অনেক দূরে যেতে হতো। জুয়েল ভাই মাঠে নলকূপ বসিয়ে দেওয়ায় আমাদের কষ্ট অনেক কমবে।”
স্থানীয় এলাকাবাসী ও কৃষকদের মতে, মাঠে মাঠে নলকূপ স্থাপনের এ উদ্যোগ কৃষিকাজে পানির সংকট কমানোর পাশাপাশি কৃষকদের সময় ও শ্রম সাশ্রয়ে সহায়তা করবে। তাঁদের প্রত্যাশা, এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে গ্রামীণ জনপদে কৃষকদের দৈনন্দিন দুর্ভোগ আরও কমবে।