জিম্বাবুয়েকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের শিরোপা জিতেছে আফগানিস্তান। শুক্রবার রাতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে জিম্বাবুয়েকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয় দলটি। আগে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে ১৬৯ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ৩৫তম ওভারে নয়, ৩৫তম ওভারের আগেই লক্ষ্য পেরিয়ে যায় আফগানিস্তান—দলটি ৩৫তম ওভারে জয় নিশ্চিত করে।

টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। তবে শুরু থেকেই আফগান বোলারদের তোপে চাপে পড়ে দলটি। একপর্যায়ে ৫৬ রানে চার উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে। পরে রাজা ও রায়ান বার্লের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে তারা। রাজা ৬৮ রান করেন, আর বার্লের ব্যাট থেকে আসে ৩১ রান। তাঁদের ৬০ রানের জুটিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও শেষ পর্যন্ত বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি জিম্বাবুয়ে।

আফগানিস্তানের হয়ে বল হাতে কার্যকর ভূমিকা রাখেন রশিদ খান, বিলাল সামি, ফজলহক ফারুকি ও মোহাম্মদ নবী। রশিদ ৪১ রানে তিনটি উইকেট নেন। বিলাল ২৭ রানে দুটি এবং ফারুকি ও নবী দুটি করে উইকেট শিকার করেন।১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিল আফগানিস্তান। ইব্রাহিম জাদরান ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ দলকে ভালো সূচনা এনে দেন। দশম ওভারে গুরবাজ ৬৮ রানের মাথায় আউট হলেও লক্ষ্যের পথে এগিয়ে যেতে সমস্যা হয়নি আফগানদের।

মাঝের ওভারগুলোতে জিম্বাবুয়ের বোলাররা রান তোলার গতি কিছুটা কমিয়ে দেন। তবে উইকেট হাতে থাকায় চাপ সামলে নেয় আফগানিস্তান। অধিনায়ক রহমত শাহ ও জাদরান দলের জয়ের ভিত আরও মজবুত করেন। রহমত ৪৩ রান করে আউট হলেও অপরাজিত ৭০ রানের ইনিংস খেলে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন জাদরান।

ত্রিদেশীয় সিরিজের শুরুটা ভালো হয়েছিল জিম্বাবুয়ের। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে ৯৯ রানে হারিয়েছিল তারা। তবে পরের ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়িয়ে জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানে হারায় আফগানিস্তান। এরপর বাংলাদেশকেও সাত উইকেটে পরাজিত করে ফাইনালে জায়গা করে নেয় দলটি।

সিরিজ শেষে এবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ও দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে আফগানিস্তান। সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা শারজায়।