নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর বাঙ্গালপাড়ার অধিবাসী হতদরিদ্র মোঃ বাবুল আকতারের একমাত্র জরাজীর্ণ বসতবাড়িটি এখন বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে। অনতিবিলম্বে ঘরটি সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণ করা না হলে যে কোনো মুহূর্তে তা ভেঙ্গে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বাবুল আকতারের পরিবারে রয়েছে স্ত্রী, পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক ছেলে এবং তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ুয়া এক মেয়ে। দিনমজুর বাবুল আকতারের দৈনিক আয় মাত্র ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। বর্তমান বাজারদরের ঊর্ধ্বগতির যুগে এই সামান্য উপার্জন দিয়ে চার সদস্যের পরিবারের ভরণপোষণ ও সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালানোই যেখানে অসম্ভব হয়ে পড়েছে, সেখানে মাথার ওপরের বাসস্থান পুনর্নির্মাণ করা তার পক্ষে কাল্পনিক ছাড়া কিছুই নয়।
সামনে বর্ষা মৌসুম আসায় পরিবারটির উদ্বেগ আরও বেড়ে গেছে। ঘরের বর্তমান যা করুণ অবস্থা, তাতে আসন্ন বর্ষায় পুরো বাড়িটি মাটির সাথে মিশে যেতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, বিষয়টি নজরে আসার পর সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ নাজমুল হামিদ রেজা সরেজমিনে জরাজীর্ণ ঘরটি পরিদর্শন করেছিলেন। সে সময় তিনি বাড়িটি নতুন করে নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছিলেন। তবে দুর্ভাগ্যবশত তিনি বদলি হয়ে চলে যাওয়ায় বিষয়টি আর আলোর মুখ দেখেনি।
বর্তমানে এই অসহায় পরিবারটির ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বাবুল আকতারের জরাজীর্ণ বসতঘরটি পুনর্নির্মাণে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও বিত্তবান রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের আশু দৃষ্টি ও মানবিক সহযোগিতা কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারসহ এলাকার সচেতন মহল।