সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ-এস এম নাদিমুল হাসান ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট করে লিখেন, ২০২০ সালে করোনার কারণে মধ্যনগর বি.পি. উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষের অনুষ্ঠান পিছিয়ে যায়। সেই সময়টায় শতবর্ষের অনুষ্ঠানে ভীষণ আগ্রহী হয়ে অনেকেই নিজেদের নাম রেজিষ্ট্রেশন করেছেন এবং অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনের জন্য নির্ধারিত ফি, তারও বেশিও অনেকেই টাকা দিয়েছেন।
করোনার দোহাই দিয়ে বা করোনার সত্যতাকে উপলক্ষ্য করে মাঝে আরো দুই বছর পিছিয়ে গেলেও অনুষ্ঠানটি করার আর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অথচ বাংলােদেশের আনাচে-কানাচে শত শত স্কুল কলেজের অনুষ্ঠান নিয়মিত হচ্ছে। তাদের অনুষ্ঠানের মধ্যকার আন্তরিকতা, উদ্যোগ, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আমাকে বিশেষভাবে মুগ্ধ করে। কারণ আমি নিজে অনেকগুলো অনুষ্ঠানে গিয়েছি।
আমার মনে হয় না আর কোনােদিন মধ্যনগর বি.পি. উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ অনুষ্ঠান হবে।কারণ, এরইমধ্যে এই অনুষ্ঠান নিয়ে নানান ধরনের জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। হোক তা রাজনৈতিক রেষারেষির কারণে কিংবা ব্যক্তিগত রেষারেষির কারণে।
কিন্তু এসব কারণে একটি স্কুল বা কলেজের অনুষ্ঠান অর্থ সংগ্রহের পরও বন্ধ হয়ে যেতে পারেনা..অশিক্ষা বা কুশিক্ষার কাছে হেরে যাওয়াটা ভীষণ কষ্টের। আমি বিশেষভাবে অনুরোধ করবো, মধ্যনগর বি.পি. উচ্চ বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান আয়োজনে'র সাথে যারা সম্পৃক্ত আছেন তারা উদ্যোগী হবেন যেন অনুষ্ঠানটি হয়।
আর যদি না পারেন তাহলে ঘোষনা দিন যে অনুষ্ঠানটি আপনারা করতে পারছেন না, আপনারা ব্যর্থ।আর ঘোষনা দিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য উত্তোলিত অর্থ প্রায় সাত লক্ষ টাকা যার যার কাছ থেকে সংগৃহিত হয়েছে তাদের ফেরত দিয়ে দিন,যেকােনা একটা সমাধানে আসুন।
কারণ, কারো জন্য অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে যাওয়া যেমন সমীচীন নয়..ঠিক তেমনি অনুষ্ঠান না হলে অর্থ ফেরত না দেয়াটাও অন্যায়ের মতোই বিবেচিত হয়। সুতরাং, আয়োজকদের প্রতি বিনীত অনুরােধ থাকবে।শতবর্ষরে অনুষ্ঠানের বিষয়ে যতে দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা নিন।
অবহেলিত মধ্যনগরে'র ক্ষেত্রে এই অনুষ্ঠান না করার মধ্যদিয়ে এলাকাকে আর অবহেলিত করে রাখবেন না। মাঝখানে প্রায় তিন বছর চলে গিয়েছে,একটি অনুষ্ঠান করার জন্য এটা অনেক বেশি সময় অপচয়।
পারলে করেন, না পারলে ঘোষনা দিয়ে যার যার অর্থ তার তার কাছে ফিরতে দিয়ে দিন।