আব্দুল্লাহ আল মামুন (ঢাকা ব্যুরো প্রধান): কেরাণীগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত গণধর্ষণ মামলায় এজাহারভুক্ত ইমন মোল্লা ওরফে পাইটু (২১) নামে পলাতক এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১০। এ সময় তার নিকট হতে ১ টি মোবাইল ফোনসেট ও নগদ ২ শত আশি টাকা জব্দ করা হয়েছে বলে জানা যায়।
র্যাব-১০ এর অধিনায়ক (পরিচালক) এ্যাডিশনাল ডিআইজি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিনের বরাত দিয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বার্তা বিচিত্রাকে জানানো হয় যে, গত ২১ এপ্রিল ভিকটিম (১৮) তার ছোট ভাইকে ঈদের কাপড় দেওয়ার জন্য তার মায়ের বাসা কেরানীগঞ্জ থানাধীন ইকুরিয়ায় আসে। সেখানে তার পূর্ব পরিচিত মো. সোহাগ মিয়া (২৩) ভিকটিমকে তেঘরিয়া স্ট্যান্ডে তার সাথে দেখা করার জন্য যেতে বলে। ভিকটিম সেখানে গেলে সোহাগ মিয়া তাকে নিয়ে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দক্ষিণ কেরণীগঞ্জ এলাকাস্থ একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যায়। সেখানে তার প্রধান সহযোগী ইমন মোল্লা ওরফে পাইটু (২১) সহ অন্যান্য অজ্ঞাতনামা আরো ৩ জন সহযোগী মিলে ভিকটিমকে বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে ভিকটিম তার পরিবারের লোকজনদের সাথে পরামর্শ করে নিজে বাদী হয়ে ঢাকার দক্ষিণ কেরণীগঞ্জ থানায় মো. সোহাগ মিয়া (২৩), ইমন মোল্লা ওরফে পাইটু (২১) ও অজ্ঞাতনামা ঐ ৩ জনসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে একটি গণধর্ষণ মামলা দায়ের করে।
ঘটনাটি জানতে পেরে র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল গত ২৫ এপ্রিল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন বনগ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে গণধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামী ইমন মোল্লা ওরফে পাইটুকে গ্রেফতার করে।
র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত ইমন মোল্লা গণধর্ষণ ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে র্যাব-১০ এর উক্ত আভিযানিক দল তাদের গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধিসহ গ্রেফতার অভিযান অব্যবহত রেখেছে বলে জানানো হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী ইমন মোল্লাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।