আল আমীন
নালিতাবাড়ী উপজেলা প্রতিনিধি
শেরপুরের সীমান্তবর্তী জনপদ নালিতাবাড়ীর নাকুগাঁও স্থলবন্দর মহাসড়কে পাশাপাশি সৃষ্ট দুটি খাদে মরণফাঁদ তৈরি হয়েছে। ফলে ব্যস্ততম এ মহাসড়কের হাতিপাগার এলাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়েই প্রতিনিয়িত চলছে ছোট ও হাল্কা থেকে ভারি যানবাহন।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, নালিতাবাড়ী-নাকুগাঁও মহাসড়কের হাতিপাগার এলাকায় মহাসড়কের নিচ দিয়ে নেওয়া হয়েছে সেচনালা। গত প্রায় দুই মাস আগে বৃষ্টিপাতে নিচের মাটি, সড়কের বেস, সাব-বেস ও ইউড্রেনের ছাদ ধ্বসে পড়ে। এতে মহাসড়কের মেইন দুই লেনের দুইপাশ ঘেঁষে সাধারণ যান চলাচলের জন্য তৈরি ফুটপাত ধ্বসে পড়ে।
একই স্থানে দুইপাশে ফুটপাতের ধ্বসে মাঝারি ধরণের দুটি গর্ত তৈরি হয়। ফলে মহাসড়কটির ওই অংশ এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সামান্য ভুল করলেই যানবাহনের চাকা ঢুকে ঘটতে পারে বড় কোন দুর্ঘটনা। এমতাবস্থায় স্থানীয়রা গাছেল ডাল কখনও বা বাঁশের টুকরা পুঁতে চিহ্নিত করার চেষ্টা করেছেন দুর্ঘটনা এড়াতে। কিন্তু গর্তের সৃষ্টি এবং এলাকাবাসীর এ চেষ্টার প্রায় দুই মাস পেরিয়ে গেলেও সংস্কার করেনি কর্তৃপক্ষ৷
এলাকাবাসিরা জানান, আমিনুল ইসলাম শিপন ও শামসুল আলম বার্তা বিচিত্র পত্রিকাকে বলেন, মহাসড়কের দুই পাশে গর্ত হওয়ায় নিজ উদ্যোগে দুর্ঘটনা এড়াতে বাশ বা গাছের ডাল দিয়েছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সু'দৃষ্টির আকর্ষণ করছেন যেন দ্রুত তা সংস্করণ করে দেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে শেরপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান এটি দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন৷