আবু তালহা, ঢাকা
আজ শ্রীলঙ্কা-নামিবিয়া ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠছে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড। প্রথম রাউন্ডের আটটি দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। ‘এ’ গ্রুপে শ্রীলঙ্কা, নামিবিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও নেদারল্যান্ডস। ‘বি’ গ্রুপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ে। দুটি গ্রুপ থেকে পয়েন্ট তালিকার সেরা দুটি দল জায়গা করে নেবে সুপার টুয়েলভে। আগামী ২৩ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া বনাম নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে সুপার টুয়েলভের খেলা।
তবে কাল পর্দা উঠার আগে আজ মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত হলো চিরাচরিত বহুল কাঙ্খিত ‘ক্যাপ্টেনস মিডিয়া ডে’। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ১৬ দলের অধিনায়কদের দুই ভাগে ভাগ করে সংবাদকর্মীদের মধ্যে হাজির করা হয়। সেখানে নানা প্রশ্নের উত্তর দেন অধিনায়কেরা।
প্রথম ৮ দলের অধিনায়ক হিসেবে হাজির হয়েছিলেন ফিঞ্চ, শানাকা, উইলিয়ামসন ও নবীরা। এরপর শেষ ৮ দলের অধিনায়ক হিসেবে মঞ্চে এলেন ভারতের রোহিত শর্মা, ওয়েস্ট ইন্ডিজের নিকোলাস পুরান, পাকিস্তানের বাবর আজম, স্কটল্যান্ডের রিচার্ড বেরিংটন, জিম্বাবুয়ের ক্রেগ আরভিন, দক্ষিণ আফ্রিকার টেম্বা বাভুমা, বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান ও আয়ারল্যান্ডের অ্যান্ডি বলবার্নি।
অনুষ্ঠানের এই ভাগে অ্যারোন ফিঞ্চ, রোহিত শর্মা ও বাবার আজম সহ অনককেই প্রশ্ন করা হয়। এই পর্বে অনুষ্ঠানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় এই বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণ পাক-ভারত ম্যাচ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত ও পাকিস্তান যেহেতু অন্যতম ফেবারিট এবং দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ মুখোমুখিও হবে সুপার টুয়েলভে, তাই এই দুই দলের অধিনায়ককে ঘিরেই বেশি আগ্রহ দেখিয়েছেন সংবাদকর্মীরা।
বাবর বলেন, ‘ভারতের বিপক্ষে খেলা মানেই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই। ভক্তরাও এই ম্যাচের অপেক্ষায় থাকেন। মাঠে আমরাও উপভোগ করি। আমরা ভালো ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করি।'
অনুষ্ঠানের শেষের দিকে সঞ্চালক মেল জোন্স এক পর্যায়ে জানান, আজ বাবরের ২৭ তম জন্মদিন। এরপর অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ একটি জন্মদিনের কেক নিয়ে হাজির হন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে ১৫ অধিনায়কের উপস্থিতিতে কেক কাটেন বাবর। তাকে শুভেচ্ছা জানান বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান, ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মাসহ সবাই। আইসিসির প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, সব অধিনায়ক বাবরকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি সুরে সুরে বলছিলেন, ‘হ্যাপি বার্থ ডে ডিয়ার বাবর।’ বাবরের কাছে এই দিনটি নিশ্চয়ই সারাজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।