রাজধানীর গুলশানে আজ ২৩/১২/২০২৫ খ্রিস্টাব্দ তারিখে মহাখালীর সাবজোন–৪/২ এলাকায় রাজউকের ভ্রাম্যমাণ আদালতের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে গুলশান আবাসিক এলাকায় অবস্থিত আবাসিক ভবনে অবৈধভাবে পরিচালিত হোটেল, রেস্টুরেন্ট, সেলুন, স্পা ও অফিস সিলগালা করা হয়। পাশাপাশি ৭টি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নির্ধারিত সময়সীমা দিয়ে অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সূত্রে জানা যায়, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর জোন–৪/২ এর আওতাধীন গুলশান আবাসিক এলাকায় অদ্য ২৩/১২/২০২৫ খ্রি. তারিখে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শান্তা রহমানের নেতৃত্বে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অথরাইজড অফিসার (জোন–৪/২), সহকারী অথরাইজড অফিসার, প্রধান ইমারত পরিদর্শক, ইমারত পরিদর্শকবৃন্দ এবং বনানী সোসাইটির কর্মকর্তারা। আবাসিক প্লটে অবৈধভাবে অ-আবাসিক/বাণিজ্যিক ব্যবহার করায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে যেসব প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—
নতুন পোলাও ঘর, প্লট–০৭, রোড–১৩৭;
মেন’স ক্রাউন সেলুন, প্লট–০৭, রোড–১৩৭;
ডেলিভারিজ অ্যান্ড টেক ওয়েস রেস্টুরেন্ট, প্লট–০৭, রোড–১৩৭;
জুস অ্যান্ড কফি কর্নার, প্লট–০৭, রোড–১৩৭;
প্লট–০৭/এ, রোড–১৩৭/১৪১;
প্রাইভ মেন’স সেলুন, প্লট–১০, রোড–১৩৮, গুলশান।
এছাড়া গুলশান এলাকার আবাসিক ভবনে অবৈধভাবে বাণিজ্যিক (অফিস) কার্যক্রম পরিচালনার দায়ে সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষকে আবাসিক ভবনে বাণিজ্যিক ব্যবহার পরিহারের জন্য ১ (এক) মাস সময় দিয়ে অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করা হয়।
অপরদিকে, কার পার্কিং হিসেবে ব্যবহৃত প্লট–০১/এ, রোড–১৩৮, গুলশান এলাকায় আবাসিক ভবনে অবৈধ বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার কারণে মালিকপক্ষকে ৩ (তিন) মাস সময় দিয়ে অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করা হয়।
অভিযান শেষে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শান্তা রহমান গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন,
“অবৈধ স্থাপনা ও আবাসিক ভবনে বাণিজ্যিক ব্যবহার বন্ধে রাজউকের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”