ইরানে ‘চূড়ান্ত আঘাত’ হানার জন্য বিভিন্ন সামরিক বিকল্প যাচাই করে দেখছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। এসব বিকল্পের মধ্যে সরাসরি স্থলবাহিনীর ব্যবহার এবং ব্যাপক বিমান হামলার বিষয়ও রয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এ তথ্য জানিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন সূত্র জানিয়েছে, কূটনৈতিক আলোচনায় অগ্রগতি না হলে এবং বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধ শেষ করতে শক্তিশালী সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার কৌশলও বিবেচনায় রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ‘চূড়ান্ত আঘাতের’ পরিকল্পনায় চারটি প্রধান বিকল্প নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে রয়েছে—
-
ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপে হামলা বা অবরোধ
-
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ লারাক দ্বীপ দখল
-
আবু মুসা দ্বীপসহ আরও দুটি ছোট দ্বীপ দখল
-
অথবা হরমুজ প্রণালির পূর্ব পাশে ইরানের তেলবাহী জাহাজ আটকে দেওয়া বা জব্দ করা
বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব দ্বীপ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এখানে বাংকার, রাডার এবং আক্রমণ সক্ষম সামরিক অবকাঠামো রয়েছে।
এ ছাড়া মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের অভ্যন্তরে গভীরে স্থল অভিযান চালানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করছে, যার লক্ষ্য হতে পারে পারমাণবিক স্থাপনাগুলো নিয়ন্ত্রণে নেওয়া। তবে এমন ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানের বিকল্প হিসেবে বিমান হামলার মাধ্যমেও এসব স্থাপনা ধ্বংস করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা সম্ভাব্য স্থল অভিযানের বিষয়টিকে আপাতত অনুমাননির্ভর বলে উল্লেখ করেছেন।