২০১৩ সালের রানা প্লাজা ধসের তিন দিন ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা নাসিমা বেগম (৪০) এবার মর্মান্তিকভাবে মারা গেলেন দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবিতে।
নাসিমা বেগম দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার মধ্য আটরাই গ্রামের মৃত নূর ইসলামের স্ত্রী। বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে নাসিমা বেগম, তার ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ভাগনি আজমিরা খাতুন ও চার বছরের নাতি আবদুর রহমান ঢাকার উদ্দেশ্যে বাসে চড়ে রওনা হলে দুর্ঘটনার শিকার হন। প্রায় ৬ ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান আজমিরার স্বামী আবদুল আজিজ।
নাসিমার চাচাতো ভাই জুলফিকার আলী ভুট্টু জানান, রানা প্লাজা ধসের সময় নাসিমা সেখানে কর্মরত ছিলেন এবং তিন দিন পর জীবিত উদ্ধার হয়েছিল। কিন্তু এবার ঢাকা যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হলো।
মরদেহ কুষ্টিয়ায় অ্যাম্বুলেন্সে যাওয়ার পথে চাকা ফেটে আরও একটি ছোট দুর্ঘটনার শিকার হলেও পরে মেরামত শেষে বাড়িতে পৌঁছে শুক্রবার দুপুরে জানাজা শেষে দাফন করা হয়।
পার্বতীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আবুল ওয়াদুদ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং নিহতের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন।