‘বৃহত্তর বিজয়ের স্বার্থে জেনে বুঝে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন খামেনি’

Date: 2026-04-02
news-banner

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নানা বিশ্লেষণ উঠছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, খামেনি সচেতনভাবেই এমন পরিস্থিতিতে নিজেকে রেখেছিলেন যাতে মৃত্যুর মাধ্যমে শহিদ হতে পারেন এবং বিদ্রোহ ও প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে জাতির মাঝে বিজয়ের আশার সঞ্চার ঘটাতে পারেন।

ইরানি-আমেরিকান শিক্ষাবিদ হুশাং আমিরাহমাদি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে বলেন, “খামেনি এমন অবস্থানে নিজেকে রেখেছিলেন যাতে শাহাদাত লাভ করতে পারেন। তিনি ইতিহাসে একজন প্রতিরোধী নেতা হিসেবে স্মরণীয় হতে চেয়েছিলেন, যিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়েছেন।”

সাবেক মার্কিন নৌ গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও জাতিসংঘের অস্ত্র পরিদর্শক স্কট রিটার মন্তব্য করেন, “হামলার প্রথম দিন থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কৌশলগতভাবে পরাজিত হয়েছেন। খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের জনগণ রাস্তায় নেমে তার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছে।” তিনি আরও বলেন, “খামেনির মৃত্যু শিয়া জাতির জন্য পোপ বা আর্চবিশপ হত্যার সমতুল্য। ট্রাম্প আশা করেছিলেন জনগণ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করবে, কিন্তু তিনি ভুল সময়, ভুল কারণে ভুল মানুষকে লক্ষ্য করেছিলেন।”

রিটার বিশ্লেষণ করেন, “ইরানের মানুষ এখন ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পক্ষে একত্রিত হয়েছে। এমন মানুষকে হত্যা করা যায় না যারা বিশ্বাসের জন্য মৃত্যুর প্রস্তুতি নিয়েছে। প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতটিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম পরাজয় চিহ্নিত করেছে এবং এটি ইরানের বৃহত্তর জয়ের পথে শক্তি যোগাবে।”

Leave Your Comments