এনসিপির পঞ্চগড় জেলা সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন অধ্যক্ষ দেলদার রহমান দিলু

Date: 2026-04-02
news-banner

মোঃ মাহমুদুল হাসান বাবু ,পঞ্চগড় প্রতিনিধি: 

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) পঞ্চগড় জেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর মো. আব্দুল লতিফকে জেলা এনসিপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি ইন্তেকাল করায় উক্ত পদে সৃষ্ট শূণ্যতা পূরণ ও সাংগঠনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার লক্ষ্যে দেলদার রহমান দিলুকে পঞ্চগড় জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব পদে পূর্ণকালীন দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। 

এনসিপির দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, সদস্য সচিব হিসেবে দেলদার রহমান দিলুকে দায়িত্ব প্রদানের মাধ্যমে পঞ্চগড় জেলার এনসিপির কার্যক্রম আরো গতিশীল হবে। তার হাত ধরেই পঞ্চগড়ে এনসিপি মানুষের কল্যাণে কাজ করবে। তার নেতৃত্ব মাঠ পর্যায়ে দলের কার্যক্রমকে বেগবান করবে এবং জনগণের সঙ্গে দলের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে।

অধ্যক্ষ ও আইনজীবী মো. দেলদার রহমান দিলুর গ্রামের বাড়ি বোদা উপজেলার সরকারপাড়া গ্রামে। তিনি মৃত দারাজউদ্দীন আহম্মেদ এর  ষষ্ঠ সন্তান। বর্তমানে তিনি পঞ্চগড় জেলার ডোকরোপাড়া মহল্লার স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি ১৯৯৩ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএসএস ডিগ্রী অর্জন করেন। ১৯৯৪ সালে এলএলবি এবং ২০১০ সালে বার কাউন্সিল সনদ লাভ করেন। তিনি পঞ্চগড় বিসিকনগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ এবং বাংলাদেশ কারিগরি কলেজ (বিএমটি) শিক্ষক সমিতির সভাপতি, এবং প্রিন্সিপাল অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কারিগরি) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

অসংখ্য কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন, এর মধ্যে সদর উপজেলার মিঠাপুকুর টেকনিক্যাল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ, পঞ্চগড় টেকনিক্যাল অ্যান্ড বি. এম মহিলা কলেজ, বোদা উপজেলার ডিআর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বি. এম মহিলা ইন্সটিটিউট ও নতুনহাট টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এসবিইউজিএস এর নির্বাহী পরিচালক, ঢাকা স্টাডি অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের উপদেষ্টা, ঢাকা জজ কোর্ট, ঢাকার সিএমএম কোর্ট ও পঞ্চগড় জজ কোর্টের তালিকাভুক্ত আইনজীবী।

তিনি রাজনীতিতে আগে থেকেই সম্পৃক্ত থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সদর উপজেলা পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান এবং  প্রথম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন। সামান্য ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। ২০২২ সালের দ্বিতীয় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদেও নির্বাচনে অংশ নেন। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মনে করছেন, তাকে সদস্য সচিব করায় দল আরো সংগঠিত হবে। দলের গতিশীলতা বাড়বে, তৃণমূলে দল আরো শক্তিশালী হবে।

Leave Your Comments