গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রতিবাদলিপি প্রসংঙ্গ

Date: 2022-12-13
news-banner



আব্দুল্লাহ আল মামুন (ঢাকা ব্যুরো প্রধান):  সম্প্রতি আজিমপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইলিয়াস আহমেদ ও ঠিকাদার পল্টন দাস ওরফে পল্টুর মাঝে ঘটে যাওয়া অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটনা নিয়ে জাতীয় সপ্তাহিক ‘বাত্রা বিচিত্রা’য় এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ছাপা হয়। 

‘গণপূর্তের বড় কর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগকারী ঠিকাদারের বিরুদ্ধে পাল্টা চাঁদবাজির অভিযোগ’ শিরোনামে ঐ প্রতিবেদনে ইলিয়াস আহমেদের ঘুষ চাওয়া ও পল্টু দাসের ঘুষ প্রদান, প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর পল্টুর লিখিত অভিযোগ করা, বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন, পল্টুর বিরুদ্ধে ‘বিপুল পরিমাণ’ টাকা চাঁদা দাবীর অভিযোগে লালবাগ থানায় সাধারন ডাইরী নথিভুক্ত করন, অতঃপর পল্টুর বিরুদ্ধে ‘৫০ লক্ষ’ টাকা চাঁদা দাবীর অভিযোগে পেনাল কোড ১৮৬০ অনুযায়ী ৩৮৫/৫০৬ ধারায় মামলা দায়েরসহ বিভিন্ন অনুসন্ধানী তথ্যের সন্নিবেশ ঘটে। 

২৯ নভেম্বর (মঙ্গলবার) প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর একই তারিখে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইলিয়াস আহমেদ স্বাক্ষরিত ‘প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ প্রসঙ্গে’ সম্পাদক বরাবর একটি প্রতিবাদলিপি হাতেহাতে একজন বাহকের মাধ্যমে বাত্রা বিচিত্রা অফিসে প্রেরণ করা হয়। উক্ত প্রতিবাদলিপিতে ইলিয়াস আহমেদ তার প্রতিবাদী বক্তব্যের পাশাপাশি বাত্রা বিচিত্রায় প্রকাশিত প্রতিবেদনটি হীন উদ্দেশ্য প্রণোদিত, ভিত্তিহীন এবং সম্পূর্ণ বানোয়াট তথ্য সম্বলিত প্রতিবেদন বলে উল্লেখ করেছেন। যেহেতু বাত্রা বিচিত্রা এমনটি মনে করে না, তাই এই প্রতিবেদক উক্ত পত্র বাহকের মাধ্যমে প্রকৌশলী মো. ইলিয়াস (তার মুঠোফোনের দুইটি নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়) এর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে। পত্র বাহকের সাথে মুঠোফোনে কথা বলে বিষয় ভিত্তিক আলোচনার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলীর সাক্ষাত পাওয়া যাবে কি না, জানতে চাইলে তিনি এই প্রতিবেদককে অপেক্ষায় রাখেন। প্রায় ৩০ মিনিট পর তিনি ফিরতি ফোনে বিভাগীয় একজন কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করে তার মোবাইল নম্বর দেন এবং এই প্রতিবেদককে এই বলে ধারনা দেন যে, তার (ঐ কর্মকর্তা) সাথে কথা বললেই সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যাবতীয় প্রশ্নের জবাব পাওয়া যাবে। 

কথা অনুযায়ী ঐ নম্বরে ফোন দিলে উল্লেখিত কর্মকর্তা সাথে সাথেই সাড়া দেন এবং পরদিন অফিস অথবা সাইটে থাকবেন বলে যে কোনো সময় সাক্ষাতের আমন্ত্রণও জানান তিনি। নির্ধারিত দিনে সোয়া ৪টার দিকে ফোন দিয়ে জানা গেল তিনি ইতিমধ্যে খিলগাঁওয়ের বাসার উদ্দেশ্যে কর্মস্থল ছেড়ে চলে গেছেন।

 এরপর দিন তার মুঠোফোন বেশ কয়েকবার বাজলেও তিনি আর সাড়া দেননি। এ সময় বিশ্বস্তসূত্র জানায়, তিনি হোয়াটস্ অ্যাপে বেশ একটিভ থাকেন। অতঃপর হোয়াটস্ অ্যাপে নক করেও তার আর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

Leave Your Comments