ফাহিম হাসান, গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে গ্রিন ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ক্লাব (জিইউডিসি) এর আয়োজনে গত ৩০ ডিসেম্বর (শুক্রবার) অনুষ্ঠিত হয় ‘বিজয় দিবস আন্তঃবিভাগীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২২’ এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়।
এবারের বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ টি বিভাগের মোট ২৪টি দল অংশগ্রহণ করে। নক-আউট পর্ব, কোয়ার্টার ও সেমিফাইনাল পার করে সিটি এবং পার্মামেন্ট উভয় ক্যাম্পাস থেকে সেরা ৪ টি দল জায়গা করে নিয়েছিল ফাইনাল রাউন্ডে।
সিটি ক্যাম্পাসে বিকাল সাড়ে ৪ টায় অনুষ্ঠিত ফাইনালে সিটি ক্যাম্পাস থেকে চ্যাম্পিয়ন হয় জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া কমিউনিকেশন বিভাগের দল ‘কলরব’ এবং রানার্স-অাপ হয় আইন বিভাগের দল ‘রেনেসাঁস’। পার্মানেন্ট ক্যাম্পাস থেকে চ্যাম্পিয়ন হয় টেক্সাইল ডিপার্টমেন্টের দল ‘তর্ক যোধন’ এবং রানার্স-অাপ হয়েছে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের দল ‘দুর্নিবার’।
আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ গোলাম সামদানি ফকির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইন, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ফারহানা হেলাল মেহতাব, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ সাইফুল আজাদ, ইইই বিভাগের চেয়ারপার্সন ড. এএসএম শিহাবউদ্দিন, স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্সের সহকারী পরিচালক ও সহকারী অধ্যাপক ড. মোঃ আফজাল হোসেন খান।
আয়োজনটি আরও বেশি প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছিল গ্রিন ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ক্লাব এর সাবেকদের পদচারণায়। যেখানে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি মোঃ মিরাজুল ইসলাম মিরাজ, প্রতিষ্ঠাকালিন সাধারন সম্পাদক ও সভাপতি সাদাত হাবিবী সেতু, সাবেক সভাপতি রাব্বি রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রাজীব এবং সাবেক সভাপতি হাসিবুর রহমান সাব্বির।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রিন ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ক্লাবের মডারেটর রহাসান আল জুবায়ের রনি, ডেপুটি মডারেটর সৌরভ চন্দ্র দাস ও বর্তমান ক্লাব প্রেসিডেন্ট আহম্মেদ জুবায়ের।
প্রতিযোগিতা পর্ব শেষে শুরু হয় পুরুষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। চ্যাম্পিয়ন, রানার্স আপ দলগুলো ও শ্রেষ্ঠ বক্তাদের হাতে পুরুষ্কার ও সনদপত্র তুলে দেয়া হয়। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন মিনহায উল করিম আসিফ ও ফারজানা আফরিন মারিয়া। অনুষ্ঠানে বিশ্বিবদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী ও ক্লাবের সাবেক বিতর্কিকগণ দর্শক হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে আরও বেশি প্রাণবন্ত করে তোলেন।