আহসান হাবীব রানা, ইবি প্রতিনিধি।।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন মহাসড়কে গড়াই পরিবহনের বাস ড্রাইভারকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার (৩১ মে) বিচারের দাবিতে বেলা ১২ টা থেকে ১ঃ৩০ পর্যন্ত দেড় ঘন্টা ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক সংলগ্ন কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন বাস স্টাফরা। পরবর্তীতে দুপুর দেড়টায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে এ অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে বাস ড্রাইভার তোজাম্মেল হোসেন সবুজের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বডি, ছাত্র উপদেষ্টা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেন।
মারধরের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তকরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সেলিনা নাসরিনকে আহবায়ক ও সিকিউরিটি ইনচার্জ আব্দুস সালামকে সদস্য সচিব করে এ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্য হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম। কমিটিকে আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪-৫ জন শিক্ষার্থী প্রধান ফটক থেকে বাস ড্রাইভার তোজাম্মেল হোসেন সবুজ ও বাসে কর্মরত স্টাফদের বাটাম দিয়ে মারধর করেন। এতে তাঁরা সকলেই আহত হয়। মারধরের সময় তাঁদের কাছ থাকা ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন হামলাকারীরা।
এ বিষয়ে বাস ড্রাইভার সবুজ বলেন, এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে কথা হয়েছে। আমি অভিযোগ দিয়েছি। আমি এ ঘটনার সঠিক তদন্ত ও বিচার চাচ্ছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর শাহাদাত হোসেন আজাদ বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি প্রতিবেদন দিলে আমরা বিস্তারিত জানতে পারবো।