আহসান হাবীব রানা,ইবি প্রতিনিধি:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অফিসের পাশে নান্দনিক
পাখি চত্বর বেহাল অবস্থায় পরে আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লান্ত শিক্ষার্থীদের ওপর্যটকদের জন্য বেঞ্চ বানিয়ে সাময়িক বিশ্রাম ব্যবস্থা করা হয়েছিল, অবহেলায় বেঞ্চগুলোতে পরেছে মাটি চাপা।
জানা যায়, ঠিকাদারের ভুল পরিকল্পনার ফলে নান্দনিক জায়গাটি মাটিচাপা পড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিমে মফিজ লেকেরপাশে পাখি চত্বর। সেখানে বসার স্থানগুলোর মধ্যে বেঞ্চগুলো পুকুর সংস্কার করার সময় উত্তোলনকৃত মাটিতে চাপা পড়ে।
এতে মানুষের পাশাপাশি পাখিদেরও আনাগোনা কমেছে। প্রতি বছরের শীত মৌসুমে পরিযায়ী পাখির আনাগোনা দেখা যেত এইলেকে। এসব পাখির নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছিল ইবি প্রশাসন। তবে কয়েক বছরের ব্যবধানেবৈচিত্র্য হারিয়েছে এই পাখি চত্বর।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মিজানুর রহমান মিজান বলেন, 'একসময়পাখি চত্বরের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হত শিক্ষার্থীরা। অতিথি পাখি দেখতে এসে পাখিপ্রেমীরা এখানেই বসে বিকেলের বিশ্রাম নিত।প্রখর রোদেও এখানে ঠান্ডা থাকতো পরিবেশ। বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরতে অনেকেই এই জায়গাটায় আসতো। জায়গাটা আবারওপুরনো রূপে ফিরিয়ে আনতে পারলে শিক্ষার্থীবান্ধব একটি কাজ হবে।'
চারুকলা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জেবা আফিয়া মৌ বলেন, 'প্রকৌশল অফিসের পাশে জায়গাটা স্বপ্নের মতো ছিল।ক্লাস শেষ করে আড্ডা দিতাম। একটা অন্যরকম পরিবেশ ছিল। কিন্তু এখন তো ঝোপঝাড়ে পরিপূর্ণ। বসার স্থানহুলোও মাটিতেচাপা পড়ে গেছে। এজন্য এখন আর ওদিকে যেতে ইচ্ছে করেনা।'
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী এ. কে. এম শরীফ উদ্দিন বলেন, 'বিষয়টা আমার নজরে এসেছে। মূলত পুকুরখননের মাটি এখানে ফেলে রাখা করা হয়েছে। যে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এই পুকুর খননের কাজ করেছে ওনি শুনছি দেশের বাহিরে।আমাদের ইঞ্জিনিয়ারদের এই সংক্রান্ত নথিপত্র খুঁজতে বলেছি।'