Raúl Castro–এর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে খুনের অভিযোগ এনেছে United States। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এ অভিযোগ ঘোষণার পর নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে ওয়াশিংটন ও হাভানার সম্পর্কে।
বিশ্লেষকদের মতে, এটি কিউবার কমিউনিস্ট সরকারের ওপর মার্কিন চাপ বাড়ানোর একটি বড় পদক্ষেপ। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump প্রশাসন কিউবার বর্তমান সরকারে পরিবর্তন আনতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
১৯৯৬ সালে নির্বাসিত কিউবানদের সংগঠন “ব্রাদার্স টু দ্য রেসকিউ”–এর দুটি বিমান গুলি করে ভূপাতিত করার ঘটনায় রাউল কাস্ত্রো ও কিউবার সামরিক বাহিনীর পাঁচ পাইলটের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তকারীরা দাবি করেছেন, ওই হামলায় কাস্ত্রোর সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
বর্তমানে ৯৪ বছর বয়সী রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে মার্কিন নাগরিকদের হত্যার ষড়যন্ত্রের একটি, খুনের চারটি এবং উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত করার দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর সর্বোচ্চ সাজা হতে পারে।
এদিকে রাউল কাস্ত্রোকে সম্প্রতি Cuba–তেই দেখা গেছে। তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেওয়া হবে বা তিনি দেশ ছেড়েছেন—এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল Todd Blanche মিয়ামিতে নিহতদের স্মরণসভায় বলেন, রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে এবং একদিন তাঁকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে কিউবার প্রেসিডেন্ট Miguel Díaz-Canel সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দাবি করেছেন, নিজেদের আকাশসীমা রক্ষায় কিউবা বৈধভাবেই ওই উড়োজাহাজ ভূপাতিত করেছিল। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপকে “ভুল সিদ্ধান্ত” আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি কিউবার বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের অজুহাত তৈরির চেষ্টা হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ঘটনায় পুরোনো স্নায়ুযুদ্ধের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হলো।