মো: রাজিব হোসেন মাগুরা প্রতিনিধি:
গতকাল ২৮ শে সেপ্টেম্বর, রোজ বৃহঃবার, পড়ন্ত বিকালে মাগুরা জেলাধীন শত্রুজিৎপুর বাজার, জগদল বিনোদপুর বাজার সহ বেশ কয়েকটি বাজার প্রদক্ষিণ করে সাধারন মানুষের কাছে দ্রব্যমূল্যের কথা জানতে চাইলে,তারা বলেন আমরা খুব ই কষ্টে আছি,আমাদের দেখার কেউ নেই।
যে টাকা উপার্জন করি তা দিয়ে সংসার চালানো কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।বাজারে গেলে ই আমাদের মাথা ঘুরে যায়।
তারা জানান,আমরা শুনেছি সরকার ডিম,আলু,পেঁয়াজ এর দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে,কিন্তু কোন ব্যবসায়ী তা মানছে না।একজন রিক্সা ড্রাইভার বলেন,যে টাকা উপার্জন করি,তা দিয়ে সন্তানাদি নিয়ে ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারিনা,নূন আনতে পান্তা ফুরায়,পান্তা আনতে নূন,আমাদের এ ধরণের অবস্থা।
একজন দিনমজুর বলেন,আমাদের মাইনে কিছুটা বৃদ্ধি হয়েছে ঠিকই,কিন্তু দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাওয়ায় আমাদের অবস্থা ও শোচনীয় হয়ে পড়েছে। সারা দেশে সরকার তদারকি মূলক অভিযান পরিচালনা করলে ও ব্যবসায়ীরা তা মানছেনা বলে জানান,সাধারণ মানুষেরা।তারা বলেন,এখনো স্থানীয় বাজারে আলু প্রতি কেজি ৫০ টাকা,ডিম হালি প্রতি ৫৫ টাকা,পেঁয়াজ ৭০/৮০ টাকা,ব্রয়লার কেজি প্রতি ১৭০ টাকা।
মাছ খুব একটা পাওয়া যায় না,আর যাই পাওয়া যায়, তার মূল্য অনেক, মাছ কিনতে গেলে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।একজন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোক বলেন,সরকার আমাদের কে চোখে দেখে না,সরকার শুধু সরকারী চাকুরীজীবিদের প্রতি নজর দেয়।এদিকে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বললে তারা বলেন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ব্যাপারে আমাদের কিছু করার নেই,আমরা ক্ষুূদ্র ব্যবসায়ী,বেশী দামে ক্রয় করে কম দামে বিক্রি করে ভর্তূকী দিতে পারব না।
আমাদের কে পাইকারী ব্যবসায়ীরা কমদামে দিলে,আমরা ও ক্রেতাদের কে কমদামে দিতে পারব।এমতাবস্থায় আমরা সাধারণ মানুষেরা দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্ব গতি রোধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রীর সু-দৃষ্টি কামনা করছি