গংগাচড়ায় ঘাঘট নদীর ভাঙ্গনে দিশাহারা গ্রামবাসী।

Date: 2023-10-02
news-banner



রিয়াদুন্নবী রিয়াদ গংগাচড়া প্রতিনিধি:

রংপুর জেলার গংগাচড়া উপজেলায় ভাঙছে ঘাঘট নদী। এ নদীর ভাঙ্গনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে গংগাচড়া উপজেলারা আলমবিদিতর ইউনিয়নের তালুক ভবন সাহেব পাড়া গ্রামবাসী। নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে ইতিমধ্যেই বিলীন হয়েছে কৃষকের কয়েক একর আবাদি জমি ও বসতবাড়ি। ভাঙ্গন রোধে দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা না নিলে যে কোন মূহুর্তে গ্রামটি নিশ্চিহৃ হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
 
সরেজমিনে দেখা গেছে,  বড়বিল ইউনিয়নের ঘাঘটটারি গ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত ঘাঘট নদীর ভাঙ্গনে কৃষকদের কয়েক একর জমি নদী গর্ভে চলে গেছে। বিলীন হতে বসেছে আবাদি জমি, মসজিদ, বসতবাড়ি । এতে এই গ্রামের মানুষের মধ্যে নদী ভাঙ্গন আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এ পর্যন্ত ১০ টি বাড়ী নদীর গর্ভে চলে গেছে ।এই গ্রামে ১০০ টি পরিবার ভাঙ্গন ভয়ে রয়েছেন।

আলমবিদিতর ইউনিয়ন সাহেবপাড়া গ্রামে  ঘাঘট নদীর ভাঙ্গনে কৃষকদের কয়েক একর জমি নদী গর্ভে চলে গেছে। বিলীন হতে বসেছে আবাদি জমি, মসজিদ, বসতবাড়ি, ঈদগাহ মাঠ। এতে এই গ্রামের মানুষের মধ্যে নদী ভাঙ্গন আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।এদিকে কুশ্বারঘাট ব্রীজ দক্ষিণে ১২ টি বাড়ী বিলিন হয়ে গেছে। এদিকে যদি ব্যবস্হা গ্রহন করা না হয় তাহলে ২০০ পরিবার ভাঙ্গন শিকার হবেন।

স্থানীয়রা জানান, গত বর্ষা মৌসুমে ঘাঘটের এই ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারন করেছিল, বর্তমানেও তা অব্যাহত রয়েছে। দ্রুত নদী ভাঙ্গন রোধে কোন কার্যকরী ব্যবস্থা না নেয়া হলে ভাঙ্গন আরও বাড়ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হবে এখানকার মানুষেরা।

সাহেব পাড়া গ্রামের গ্রামের ফেরদৌস মিয়া বলেন, গত তিনদিন ধরে বন্যার পানিতে কষ্ট করলাম। নদীর পানি নেমে যাওয়ায় এখন ভাঙ্গন আতঙ্কে রয়েছি। ঐতিহ্য ঈদগাহ মাঠ নদীর কিনারে পড়ছে এই ঈদগাহ মাঠ যেনো নস্ট না হয় ।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের রংপুর উপ-সহকারী প্রকৌশলী  সাদেকুল ইসলাম বলেন, আমরা সরজমিনে পরিদর্শন করলাম , উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাবো।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের রংপুর নির্বাহী প্রকৌশলী  রবিউল ইসলাম ইসলাম বলেন,আমরা বিষয়টি অবগত হয়েছি। জরুরিভাবে ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

Leave Your Comments