নীলফামারীতে এসপি’র নিরলস প্রচেষ্টায় বেড়েছে ডোমার থানার সেবার মান

Date: 2022-09-30
news-banner

এম এইচ মুন্না : নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, (পিপিএম) নিরলসভাবে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নীলফামারী জেলার ৬টি থানায় বাড়িয়েছেন সেবার মান। নীলফামারীর আপামর জনসাধারণের আস্থা বিশ্বাস আর ভালোবাসার অর্জনে নীলফামারী জেলা পুলিশ বেশ প্রশংসনীয় ভূমিকায়। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সৎ নিষ্ঠাবান ও পরিচ্ছন্ন জেলা পুলিশ সুপারের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী নীলফামারীর ডোমার থানাতে আসা সাধারন মানুষের সেবা শতভাগ নিশ্চিতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদ উন নবী । যিনি নিজেকে কখনও ওসি হিসেবে নয়, জনগনের একজন সেবক হিসেবে অতি সাধারন বেশে জনগনের পাশে থাকার চেষ্টা করেন।

ওসি মাহমুদ উন নবী ডোমার থানায় যোগদানের পর পাল্টে গেছে থানার চিত্র। দমন করেছেন থানার দালালের দৌরাত্ব । সেবা নিতে আসা লোকজন টাকা ও হয়রানি ছাড়াই এখন সাধারন ডাইরী (জিডি), অভিযোগ ও মামলা লেখা বা অন্তর্ভূক্ত করতে পারছেন থানায়। বিভিন্ন সময়ে অসহায় বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সাধারন মানুষের মধ্যে আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন তিনি। ডোমার থানা মাদকমুক্ত রাখতে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ওসির নেতৃত্বে বিভিন্ন সময়ে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

এ সকল সফল অভিযানে আটক করা হয়েছে মাদক কারবারিদের। এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে এলাকায় দীর্ঘদিন থেকে একাধিক জমি সংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন তিনি। ডোমার উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে বিট পুলিশিং কার্যক্রমের কারণে অপরাধ নিয়ন্ত্রন সহ সাধারন মানুষের সাথে পুলিশের সমন্বয় বেড়েছে বহুগুন। মূলত জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনা ও তার মনিটরিং এর কারণে সেবার মান বেড়েছে ডোমার থানায়। কেননা কোন পুলিশ সদস্য বেআইনী কর্মকান্ডে লিপ্ত হলে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেন পুলিশ সুপার।

ডোমার থানার ওসি সাধারন মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক এবং অপরাধীদের কাছে হয়ে উঠেছেন আতঙ্ক। কথা হয় মানবিক ওসি মাহমুদ উন নবীর সাথে তিনি বলেন, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের সহযোগিতায় হিমঘর তৈরি হচ্ছে একই সাথে আসামীদের হাজতখানা টাইলস বাথরুম তৈরির জন্য কাজ চলমান । 


খুব শিগগিরই পুলিশ সুপার মহোদয় হিমঘর ও নতুন হাজতখানা উদ্বোধন করবেন। স্যারের সততা আদর্শ ও নিষ্ঠায় আমরা সত্যি গর্বিত নিজেকে ধন্য মনে করছি স্যারের অধীনে চাকরি করার সুযোগ পাওয়ায়। আশা করছি, হিমঘর তৈরি শেষ হলে নিহতের স্বজনদের স্বস্তি ফিরে আসবে। কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাধারন মানুষের পাশে এসে দাঁড়ানো ও জনবান্ধব পুলিশ অফিসার হিসেবে কাজ করার জন্য পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করা। 

এব্যাপারে নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, পুলিশ জনগণের বন্ধু আমরা চাই আপামরজনসাধারণের পাশে থেকে আইনি সহযোগিতা নিশ্চিত করতে। 

মাননীয় আইজিপি মহোদয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী আমি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, মাদক নির্মূল, পুলিশের মানবিক ও পেশাদার আচরণ বাস্তবায়ন, বিট পুলিশিং ও পুলিশের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিতকরণ ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনে সরকারের গৃহীত যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহন করেছি।

Leave Your Comments