যশোর প্রতিনিধি:
বুধবার (৪ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলার কচুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এই দাবি করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ১৩ নম্বর কচুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ মোল্যা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক ইশারত আলী, যুগ্ম আহবায়ক তরিকুল ইসলাম, যুব মহিলা লীগের সভাপতি কাজী শারমিন সুলতানা তমা, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক কাজী মোহাম্মদ আলী ক্লে, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইমরান আলী প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, গত ১০ সেপ্টেম্বর রাতে কচুয়া ইউনিয়নের নীমতলী গ্রামে ইউপি চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান ধাবকের নির্দেশে একদল সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইমরান আলীকে হত্যাচেষ্টা করে। খবর পেয়ে ইমরানকে উদ্ধার করতে সেখানে হাজির হন নরেন্দ্রপুর ইউপি চেয়ারম্যান রাজু আহম্মদসহ প্রশাসনের লোকজন। কিন্তু ওই সময় কচুয়া ইউপি চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান ধাবকের মোবাইলে একাধিকবার রিং করে তার লোকজন দিয়ে কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা না করানোর জন্য অনুরোধ করেন চেয়ারম্যান রাজু আহম্মেদ। কিন্তু লুৎফর চেয়ারম্যান কোন গুরুত্ব দেননি। লুৎফর চেয়ারম্যানের লোকজনের হামলায় ছাত্রলীগ নেতা রাকিবুল ইসমলাম ইমন খুন হন। একই সাথে ওই হামলায় আহত হয়েছিলেন ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক কাজী মোহাম্মদ আলী ক্লে, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইমরান আলী, তাদের সহযোগি অপু, শহিদুল ইসলাম ও বট্টুসহ কয়েকজন।
এই ঘটনায় নিহত রাকিবের পিতা ১২জনের নামে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। ঘটনারদিনে একজন ছাড়া আর কোন আসামি আজও আটক হয়নি। ফলে ওই খুনিরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নানা ধরণের মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে সাধারণ মানুষদের বিভ্রান্ত করছে। পাশাপাশি লুৎফর চেয়ারম্যানের ভাইপো মফিজের বাড়িতে নিজেরা বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে গ্রামের নিরীহ লোকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার চেষ্টা করছে। একই সাথে রাকিব হত্যা মামলার স্বাক্ষী মোহাম্মদ আলী ক্লে ও ইমরান আলীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা আরো একটি চাঁদা বাজি মামলা করেছে।
আর এই সকল মিথ্যা ও সাজানো ঘটনা যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক সমাজের কথা পত্রিকায় ছাপিয়ে লোকজনদের বিভ্রান্ত করছে।
সংবাদ সম্মেলনে রাকিবের খুনিদের অবিলম্বে আটক ও বিচার, এবং তাদের মিথ্যা হয়রানি মূলক মামলা প্রত্যাহারের জন্য দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসি।