স্টাফ রিপোর্টার
রাজধানীতে এমএলএম কোম্পানি এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ড এর ফাঁদে পড়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন দেশের লক্ষ লক্ষ যুবক। লুটপাট হরিলুটের বেপরোয়া মচ্ছবে মেতে উঠেছে এমএলএম কোম্পানি এক্সিলেন্ট গ্রুপ। মুগদায় শমসের ভ্যালী টাওয়ারেই বসে এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ড এগ্রো ফুড এন্ড কসমেটিকস লিমিটেড মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এম এল এম)পদ্ধতিতে দেশব্যাপী প্রতারণা করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এক্সিলেন্ট ওয়াল্ড এগ্রো ফুড এন্ড কসমেটিকস লিমিটেড এর ভয়াল থাবায় হাজারো নিরীহ মানুষ সর্বোচ্চ হারাচ্ছেন। জানা যায় পূর্বে ডেসটিনির সাথে যারা জড়িত তারাই ফোকলা করছেন মানুষের পকেট। মানুষ কে ফাঁদে ফেলে সর্বোচ্চ লুটে নিয়েই এক্সিলেন্ট ওয়ার্ড এগ্রো ফুড এন্ড কসমেটিকস লিমিটেড পরিচালনা করছেন তাদের দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য। প্রতারণার ফাঁদ এমএলএম কোম্পানির পরিচালনার সঙ্গে যারা যুক্ত তারা যে অতি দ্রুত প্রকৃতির এটি বারবার প্রমাণিত হয়েছে।
এর আগেও গণমাধ্যমে বারবার প্রতিবেদন প্রকাশের পরও এম এল এম কোম্পানীতে বিনিয়োগ কারীরা সচেতন না হওয়ায় এসব বিনিয়োগ কারীর অজ্ঞতার স্তরটি স্পষ্ট। কাজেই নিরীহ বিনিয়োগ কারীদের সুরক্ষায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী পদক্ষেপে না নিলে ভুক্তভোগীদের হরানো অর্থ ফিরে পেতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।
এরইমধ্যে অনেকেই থানায় অভিযোগ দিয়েছেন এক্সিলেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম ও কোম্পানির এমডি রয়েল রানার বিরুদ্ধে। বেকারদের কর্মসংস্থানের কথা বলে রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে নিজেরাই কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ড এগ্রো ফুড এন্ড কসমেটিকস লিমিটেড কর্তৃপক্ষ।
এ ব্যাপারে এক্সিলেন্ট ওয়াল্ডে প্রতারিত হয়ে একজন ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন সাপ্তাহিক বার্তা বিচিত্রার প্রতিনিধিকে বলেন এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ড এর চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আনোয়ার এইচ রয়েল রানা প্রতারণার ফাঁদে ফেলে আমার কাছ থেকে ২২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। শুধু আমি নয় বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলা থেকে আমার মত শত শত যুবকের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এই প্রতারক গ্রুপটি এ ব্যাপারে আমি বাদী হয়ে মুগদা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।
কিছুদিন পরেই আমি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে খুব অসুস্থ হয়ে পড়ি মেডিকেলে ভর্তি হওয়া টাকা নেই এমতাবস্থায় মুগদা থানায় গিয়ে আমার অভিযোগের তদন্ত অফিসার এস আই আবু সালেহ ভাই কে বললে তিনি এক্সিলেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান কে বললে তিনি তিন লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বললেও দেয়নি। আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ধার দেনা করে করে আমি আমার চিকিৎসা করিয়েছি এর পর সুস্থ হয়ে মুগদায় এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ড এর অফিসে এসে চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম কে টাকার ব্যাপারে বললে সে আমাকে ভয়-ভীতি হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়।
এ ব্যাপারে মুগদা থানার এস আই আবু সালেহ সাপ্তাহিক বার্তা বিচিত্রার প্রতিনিধি কে বলেন আনোয়ার মুগদা থানায় অভিযোগ দিয়েছেন এর অসুস্থ হয় চিকিৎসার ব্যাপারে তিন লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল এক্সিলেন্ট ওয়াল্ড এর চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর সাহেব এরপর দিয়েছে কিনা জানিনা।
কিছু দিন আগে কুষ্টিয়া জেলার একজন ভুক্তভোগী এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ডের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে কুষ্টিয়ায় প্রশাসন দ্বারা আটক করে থানায় নিয়ে নগদ পাঁচ লক্ষ টাকা ভুক্তভোগী কে প্রদান করে মুচলেকা দিয়ে মুক্তি মেলে জাহাঙ্গীরের। বিস্তারিত আসছে পরবর্তী সংখ্যায়।