মোঃ মহাসিন, সাতক্ষীরা, প্রতিনিধি
আজ বেলা বারোটার দিকে সুরত আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জোরপূবক বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে চাইলে শিক্ষার্থীরা তাকে বিদ্যালয় থেকে বের করে দেয়। খবর পেয়ে যৌথ বাহিনী ও পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ থানায় নিয়ে গেছে।
গত ২৫ আগস্ট প্রধান শিক্ষক মোঃ হযরত আলীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করেছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সহ এলাকাবাসী। তিনি বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে বিভিন্ন কৌশলে মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎ করেন। স্কুলের গাছ কেটে লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। সেশন ফি,প্রশ্ন ফি,ফরম ফিলাপের টাকাসহ স্কুলের সরকারের বরাদ্দকৃত টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়াও শিক্ষার্থীদের মারধর করা ও তাদের মতামতকে প্রাধান্য না দিয়ে সবসময় হুমকি দেয়া ও মেয়েদের কমন রুমে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
প্রধান শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করে ছাত্রছাত্রীরা। আজ দুপুর বারোটার দিকে শিক্ষার্থীরা এক হয়ে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে যায়। এক পর্যায়ে প্রধান শিক্ষককে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ থানায় নিয়ে গেছে।
কালীগঞ্জ থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান প্রধান শিক্ষক হযরত আলীর বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিন নানা অভিযোগ করে আসছে। প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেছে।
এরপরে প্রধান শিক্ষক হযরত আলী জোরপূর্বক বিদ্যালয়ে যান। আজ বেলা বারোটার দিকে শিক্ষার্থীরা এক হয়ে তার ওপর চড়াও হয়।
তাকে মারধর করে বিদ্যালয়ের কক্ষে আটকে রাখে। খবর পেয়ে যৌথবাহিনীর সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।