মুগদা মান্ডা মানিক নগরে যেন মাদক ও জুয়ার স্বর্গরাজ্য।

Date: 2026-01-11
news-banner


প্রিয়া চৌধুরী 

রাজধানীর মুগদা ও মান্ডা মানিক নগর  এলাকা যেন মাদক ও জুয়ার স্বর্গরাজ্য তে পরিণত হয়েছে। এলাকার  প্রত্যেকটি অলিগলিতে  প্রশাসনের নাকের ডগায়  অবাধে চলছে মরন নেশা   মাদক  বিশেষ করে মুগদা স্টেডিয়ামের পিছনে ও সামনের গেইটে মাদক ব্যবসায়ী সাজুর মাদকের স্পট। প্রতিনিয়ত মাদক বেচাকেনার জমজমাট বাণিজ্য পরিণত এছাড়াও   মানিকনগর বালুর মাঠ, মান্ডা, মদিনাবাগ এসব এলাকার অলিতে গলিতে  প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত অবৈধ মরন নেশা মাদক  ব্যবসার মহোৎসব বসে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় মুগদা স্টেডিয়ামের পিছনের ও সামনের  অংশে জনসম্মুখে প্রতিনিয়ত  যেন মরণ নেশা  ইয়াবা,গাজা,ও হিরোইনের হাট বসে,  এসব মাদক ব্যবসায়ীদের আতঙ্কে কেহ দেখেও যেন কিছু বলছে না। মদিনাবাগের ময়লারডিপু এলাকাতে ও পরিচিত মাদকের আখড়া হিসেবে এখানেও সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দীর্ঘদিন যাবত সকল রকমের  মাদক বিক্রি করছে আসছে। কুমিল্লা পট্টির মাথায় গ্যরেজে, মানিক নগর বালুর মাঠে, মান্ডা প্রথম গলি, মুড়িয়ালীর গলি,মান্ডা খালপাড়, মুগদা বড় বাজারের আশপাশে, গার্মেন্টস গলি,দক্ষিণ মুগদা মসজিদ গলি প্রত্যেকটি গলি জুড়েই চলছে মাদকের হাট বাজার।  এলাকাবাসীর অভিযোগ- প্রশাসন সব জেনেও রহস্যজনক নীরবতায় আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে এ চক্রকে।


এলাকার অনেকের অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় যুবদল ও বিএনপি কর্মীরা এ অবৈধ সিন্ডিকেট পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

আরো  অভিযোগ রয়েছে মাদকের পাশাপাশি  এলাকায় জুয়ার ব্যবসা ও জমজমাট হয়ে উঠেছে, মুগদা মান্ডা মানিকনগরে প্রায় দু ডজন জুয়ার স্পট রয়েছে  প্রতিদিনই এখানে লক্ষ লক্ষ টাকার জুয়ার আসর বসে, দিন-দুপুরে দূর-দূরান্ত থেকে জুয়াড়িরা ভিড় জমায়। জুয়া ও মাদক আসরের কারণে তরুণ সমাজ ধ্বংসের পথে, অনেক উঠতি যুবক ছিনতাই ও ডাকাতির মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। প্রায় প্রতিরাতেই এসব আসরকে কেন্দ্র করে মারামারি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে মান্ডা সিএনজি স্টানের উত্তর  পাশেই লিটনের জুয়ার স্পট সেখানে দিনটা ২৪ ঘন্টা চলে জুয়ার আসর। 

আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে, মাদক ও জুয়া চক্র প্রশাসনও প্রভাবশালী নেতাকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে থাকে। এর বিনিময়ে পুলিশ লোক দেখানো মাদকবিরোধী মিটিং করলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেয় না। এক সিন্ডিকেট সদস্য সরাসরি স্বীকার করেছে, আমরা থানাকে টাকা দেই, দলের প্রোগ্রামে কিশোর গ্যাং সরবরাহ করি, তাই আমাদের ব্যবসা কেউ বন্ধ করতে পারবে না। 


বিস্তারিত আসছে খুব শীঘ্রই।

Leave Your Comments