নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় রাজউকের অনুমোদন ও নকশা লঙ্ঘন করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। প্রগতি সরণির ৮৯/১, উত্তর বাড্ডায় অবস্থিত ‘জিএমজি টাওয়ার’-এর মালিক গোলাম মাওলার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেছেন জমির মালিকানা দাবিদার ও ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রাজউকের নথি অনুযায়ী ২৩ ও ২৪ নম্বর দাগের জমির কাগজ দেখিয়ে ১৫ তলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন নেওয়া হলেও বাস্তবে ভিন্ন দাগের জমিতে ১৭ তলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, অনুমোদিত জমির পরিবর্তে ২৬ নম্বর দাগের জমিতে ভবনটি নির্মিত, যা রাজউক বিধিমালার পরিপন্থী।
২৬ নম্বর দাগের জমির মালিকানা দাবিকারী সুবীর বিশ্বাস জানান, তিনি ১৯৯২ সালে ১২ শতাংশ জমি ক্রয় করে সেখানে টিনশেড ঘর নির্মাণ করেন। তাঁর অভিযোগ, ২০০৭ সালে ওই জমি জোরপূর্বক দখল করে নির্মাণকাজ শুরু করা হয়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে বিষয়টি দেওয়ানি বলে জানানো হয়।
পরবর্তীতে সুবীর বিশ্বাস রাজউকে লিখিত অভিযোগ দেন। তদন্ত শেষে রাজউক ২০২০ সালে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য চূড়ান্ত নোটিশ দেয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, নোটিশ অমান্য করে নির্মাণকাজ অব্যাহত রাখা হয়।
এ ঘটনায় ঢাকার যুগ্ম জেলা জজ প্রথম আদালতে একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা বর্তমানে বিচারাধীন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত গোলাম মাওলার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন এ বিষয় মামলা চলোমান আছে এর বেশি কিছু বলতে চাইনা।
এদিকে রাজধানীতে অনুমোদনহীন ভবন নির্মাণ এবং এসব ক্ষেত্রে রাজউকের তদারকি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্ন উঠেছে।